বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, January 4, 2017 8:03 pm | আপডেটঃ January 04, 2017 8:04 PM
A- A A+ Print

১৩ বছরের কন্যার বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে বিয়ে

21

প্রতিবন্ধী বন্ধুর কাছে নিজের ১৩ বছর বয়সী কন্যাকে বিয়ের বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন এক ব্যক্তি। সম্প্রতি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজনপুর জেলার প্রত্যন্ত জামপুর অঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম মেট্রো। এতে বলা হয়, জামপুরের ওয়াজির আহমেদ পুত্র সন্তানের আশায় বন্ধু মোহাম্মদ রমজানের বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব দেন। এর বিনিময়ে বন্ধু ওয়াজিরের ১৩ বছর বয়সী কন্যা সায়মাকে বিয়ের কথা বলেন ৩৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী রমজান। পরে রমজানের প্রস্তাবে রাজি হন ওয়াজির। তিনি কন্যা সায়মাকে রমজানের কাছে তুলে দিয়ে তার বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। জানা গেছে, দক্ষিণ পাঞ্জাবের ওই এলাকাটি অত্যন্ত রক্ষণশীল জনপদ। সেখানে দুই পরিবারের মধ্যে কনে বিনিময়ের 'ওয়াত্তা সাত্তা' একটি বহুল প্রচলিত প্রথা। এর মানে হলো দেয়া-নেয়া। ওয়াত্তা সাত্তা প্রথাটি চলে মূলত সামন্ত পরিবারগুলোতে। এর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ বা কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এক পরিবারের কনেকে অন্য পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। বিনিময়ে সেই পরিবারের কোনো কনেকে আবার ওই পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া কোনো পরিবারে যদি পুত্র সন্তানের জন্ম না হয় তখন ওই পরিবারের কোনো কনেকে আরেক পরিবারে বিয়ে দেয়া হয়। যার বিনিময়ে পুত্র সন্তান জন্মদানের আশায় ওই পরিবার থেকে কাউকে বিয়ে করে আনা হয়। এ ধরনের ঘটনা দক্ষিণ পাঞ্জাবে অহরহ ঘটলেও এতে প্রশাসন তেমন বাধ সাধে না। কিন্তু সায়মা-জান্নাতের ওয়াত্তা সাত্তার বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে। পাকিস্তানে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১৬ বছর। কিন্তু বিয়ের সময় সায়মার বয়স ছিল ১৩ বছর। এ বিষয়টি উল্লেখ করে ওয়াজিরের সঙ্গে বিরোধ থাকা একজন স্বজন সায়মার বিয়ের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। পরে পুলিশ তদন্ত করতে আসলে সায়মা তার বাবা ও স্বামী রমজানকে রক্ষার জন্য দাবী করে তার বয়স ১৬ বছর। সায়মা বলে, আমি কাকে কখন বিয়ে করব তা সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার বাবার, এমনটি আমি মেনে নিয়েছি। রমজানের বোন এবং বাবা প্রেমে পড়েছিল। তাদের বিয়ের বিনিময়ে আমাকে রমজান বিয়ে করেছে।

Comments

Comments!

 ১৩ বছরের কন্যার বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে বিয়েAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

১৩ বছরের কন্যার বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে বিয়ে

Wednesday, January 4, 2017 8:03 pm | আপডেটঃ January 04, 2017 8:04 PM
21

প্রতিবন্ধী বন্ধুর কাছে নিজের ১৩ বছর বয়সী কন্যাকে বিয়ের বিনিময়ে বন্ধুর বোনকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন এক ব্যক্তি।

সম্প্রতি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজনপুর জেলার প্রত্যন্ত জামপুর অঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম মেট্রো।

এতে বলা হয়, জামপুরের ওয়াজির আহমেদ পুত্র সন্তানের আশায় বন্ধু মোহাম্মদ রমজানের বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব দেন। এর বিনিময়ে বন্ধু ওয়াজিরের ১৩ বছর বয়সী কন্যা সায়মাকে বিয়ের কথা বলেন ৩৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী রমজান।

পরে রমজানের প্রস্তাবে রাজি হন ওয়াজির। তিনি কন্যা সায়মাকে রমজানের কাছে তুলে দিয়ে তার বোন জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

জানা গেছে, দক্ষিণ পাঞ্জাবের ওই এলাকাটি অত্যন্ত রক্ষণশীল জনপদ। সেখানে দুই পরিবারের মধ্যে কনে বিনিময়ের ‘ওয়াত্তা সাত্তা’ একটি বহুল প্রচলিত প্রথা। এর মানে হলো দেয়া-নেয়া।

ওয়াত্তা সাত্তা প্রথাটি চলে মূলত সামন্ত পরিবারগুলোতে। এর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ বা কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এক পরিবারের কনেকে অন্য পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। বিনিময়ে সেই পরিবারের কোনো কনেকে আবার ওই পরিবারের কারও সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়।

এছাড়া কোনো পরিবারে যদি পুত্র সন্তানের জন্ম না হয় তখন ওই পরিবারের কোনো কনেকে আরেক পরিবারে বিয়ে দেয়া হয়। যার বিনিময়ে পুত্র সন্তান জন্মদানের আশায় ওই পরিবার থেকে কাউকে বিয়ে করে আনা হয়।

এ ধরনের ঘটনা দক্ষিণ পাঞ্জাবে অহরহ ঘটলেও এতে প্রশাসন তেমন বাধ সাধে না। কিন্তু সায়মা-জান্নাতের ওয়াত্তা সাত্তার বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

পাকিস্তানে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১৬ বছর। কিন্তু বিয়ের সময় সায়মার বয়স ছিল ১৩ বছর। এ বিষয়টি উল্লেখ করে ওয়াজিরের সঙ্গে বিরোধ থাকা একজন স্বজন সায়মার বিয়ের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে।

পরে পুলিশ তদন্ত করতে আসলে সায়মা তার বাবা ও স্বামী রমজানকে রক্ষার জন্য দাবী করে তার বয়স ১৬ বছর।

সায়মা বলে, আমি কাকে কখন বিয়ে করব তা সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার বাবার, এমনটি আমি মেনে নিয়েছি। রমজানের বোন এবং বাবা প্রেমে পড়েছিল। তাদের বিয়ের বিনিময়ে আমাকে রমজান বিয়ে করেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X