সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:০৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 26, 2016 8:48 pm
A- A A+ Print

১৬ বছর পর অনশন পত্যাহার, বিয়ের আগ্রহ

a_136303

খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন ২৭ বছর বয়সে। তখন ছিলেন তরুণী। এখন বয়স ৪৪। প্রায় ১৬ বছর না খেয়ে কাটিয়ে অনশন প্রত্যাহার করে নিতে চলেছেন শর্মিলা। মণিপুরের এই আন্দোলনকারী নিজেই একটি সর্বভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন এ কথা। ইরম চানু শর্মিলা জানিয়েছেন, মণিপুরের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হচ্ছেন। মণিপুর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বা আফস্পা প্রত্যাহাতেরর দাবিতে ২০০০ সালে অনশন শুরু করেছিলেন শর্মিলা। ওই আইনে উগ্রপন্থা কবলিত এলাকায় অভিযান চালানোর জন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা দেয়া হয়। যখন যেখানে খুশি হানা দেয়া বা তল্লাশি চালানো, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যেকোনো ব্যক্তি গ্রেফতার করা এমনকি প্রয়োজনে গুলি চালানোর ক্ষমতাও আফস্পা সশস্ত্র বাহিনীকে দেয়া হয়। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে ২০০০ সালে সে রকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। অসম রাইফেলসের গুলিতে সে বছর ইম্ফলে দুশিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে মণিপুর। আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয়। ইরম চানু শর্মিলা আমরণ অনশনের কথা ঘোষণা করেন। মণিপুরের প্রশাসন অবশ্য শর্মিলাকে অনশন চালাতে দেয়নি। তাকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নাকে নল ঢুকিয়ে তরল খাবার দেওয়া হতে থাকে তাকে। শর্মিলার বিরুদ্ধে প্রশাসনের তরফে অভিযোগ আনা হয়, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন। আদালত অবশ্য সে অভিযোগ মানেনি। ২০১৪ সালে শর্মিলাকে মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় একটি আদালত। আদালতের রায় জানার পর নিজেই নাকের নল খুলে ফেলেছিলেন শর্মিলা। তবে অনশন জারি থাকে। আবার সরকারি হাসপাতালের একটি ঘরে তাকে বন্দি করে নল দিয়ে খাওয়ানো শুরু হয়। শর্মিলা এখন ঘোষণা করেছেন, ১৬ বছর ধরে চলতে থাকা অনশন এ বার তিনি প্রত্যাহার করছেন। আগামী ৯ অগাস্ট তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন বলেও শর্মিলা জানিয়েছেন। ইরম শর্মিলা অনশন তুলে নিতে চান শুনে মণিপুরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। শর্মিলার সমর্থক ও অনুগামীরা বলছেন, শর্মিলা অনশন চালিয়ে নিয়ে যাবেন, নাকি প্রত্যাহার করবেন, তা অবশ্যই তিনি নিজেই স্থির করবেন। কিন্তু আন্দোলনটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। তাই শর্মিলার অনুগামীরা জানতে ইচ্ছুক, অনশন প্রত্যাহারের পর কোন পথে তিনি আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। বাবলু লোইতংবাম নামে এক আন্দোলনকারী বললেন, আমরা শর্মিলার সঙ্গে কথা বলতে চাইছি। বোজার চেষ্টা করছি, ঠিক কোন পথে তিনি আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। শর্মিলা অবশ্য সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলটিকে দেয়া সাক্ষাৎকারেই পরবর্তী পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মণিপুরের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান। নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়তে চান বলেও তিনি জানিয়েছেন। ২০১৪ সালেই শর্মিলার সামনে রাজনীতিতে নামার প্রস্তাব এসেছিল। আম আদমি পার্টি তাকে টিকিট দিতে চেয়েছিল। তবে শর্মিলা সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। শেষ পর্যন্ত রাজনীতিতে নামলেও, তিনি যে এবারও কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে ময়দানে নামতে চাইছেন না, শর্মিলা তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন। অনশন তুলে নিলেও ১৫ দিন অন্তর কিন্তু আদালতে হাজিরা দেয়া শর্মিলাকে আপাতত চালিয়ে যেতে হবে। আদালতকে শর্মিলা ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি এ বার বিয়ে করতে চান! আনন্দবাজার

Comments

Comments!

 ১৬ বছর পর অনশন পত্যাহার, বিয়ের আগ্রহAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

১৬ বছর পর অনশন পত্যাহার, বিয়ের আগ্রহ

Tuesday, July 26, 2016 8:48 pm
a_136303
খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন ২৭ বছর বয়সে। তখন ছিলেন তরুণী। এখন বয়স ৪৪। প্রায় ১৬ বছর না খেয়ে কাটিয়ে অনশন প্রত্যাহার করে নিতে চলেছেন শর্মিলা।

মণিপুরের এই আন্দোলনকারী নিজেই একটি সর্বভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন এ কথা।

ইরম চানু শর্মিলা জানিয়েছেন, মণিপুরের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হচ্ছেন।

মণিপুর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বা আফস্পা প্রত্যাহাতেরর দাবিতে ২০০০ সালে অনশন শুরু করেছিলেন শর্মিলা।

ওই আইনে উগ্রপন্থা কবলিত এলাকায় অভিযান চালানোর জন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা দেয়া হয়। যখন যেখানে খুশি হানা দেয়া বা তল্লাশি চালানো, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যেকোনো ব্যক্তি গ্রেফতার করা এমনকি প্রয়োজনে গুলি চালানোর ক্ষমতাও আফস্পা সশস্ত্র বাহিনীকে দেয়া হয়।

মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে ২০০০ সালে সে রকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। অসম রাইফেলসের গুলিতে সে বছর ইম্ফলে দুশিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে মণিপুর। আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয়। ইরম চানু শর্মিলা আমরণ অনশনের কথা ঘোষণা করেন।

মণিপুরের প্রশাসন অবশ্য শর্মিলাকে অনশন চালাতে দেয়নি। তাকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নাকে নল ঢুকিয়ে তরল খাবার দেওয়া হতে থাকে তাকে।

শর্মিলার বিরুদ্ধে প্রশাসনের তরফে অভিযোগ আনা হয়, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন। আদালত অবশ্য সে অভিযোগ মানেনি। ২০১৪ সালে শর্মিলাকে মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় একটি আদালত।

আদালতের রায় জানার পর নিজেই নাকের নল খুলে ফেলেছিলেন শর্মিলা। তবে অনশন জারি থাকে। আবার সরকারি হাসপাতালের একটি ঘরে তাকে বন্দি করে নল দিয়ে খাওয়ানো শুরু হয়।

শর্মিলা এখন ঘোষণা করেছেন, ১৬ বছর ধরে চলতে থাকা অনশন এ বার তিনি প্রত্যাহার করছেন। আগামী ৯ অগাস্ট তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন বলেও শর্মিলা জানিয়েছেন।

ইরম শর্মিলা অনশন তুলে নিতে চান শুনে মণিপুরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। শর্মিলার সমর্থক ও অনুগামীরা বলছেন, শর্মিলা অনশন চালিয়ে নিয়ে যাবেন, নাকি প্রত্যাহার করবেন, তা অবশ্যই তিনি নিজেই স্থির করবেন। কিন্তু আন্দোলনটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। তাই শর্মিলার অনুগামীরা জানতে ইচ্ছুক, অনশন প্রত্যাহারের পর কোন পথে তিনি আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

বাবলু লোইতংবাম নামে এক আন্দোলনকারী বললেন, আমরা শর্মিলার সঙ্গে কথা বলতে চাইছি। বোজার চেষ্টা করছি, ঠিক কোন পথে তিনি আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

শর্মিলা অবশ্য সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলটিকে দেয়া সাক্ষাৎকারেই পরবর্তী পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, মণিপুরের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান। নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়তে চান বলেও তিনি জানিয়েছেন। ২০১৪ সালেই শর্মিলার সামনে রাজনীতিতে নামার প্রস্তাব এসেছিল।

আম আদমি পার্টি তাকে টিকিট দিতে চেয়েছিল। তবে শর্মিলা সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। শেষ পর্যন্ত রাজনীতিতে নামলেও, তিনি যে এবারও কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে ময়দানে নামতে চাইছেন না, শর্মিলা তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন।

অনশন তুলে নিলেও ১৫ দিন অন্তর কিন্তু আদালতে হাজিরা দেয়া শর্মিলাকে আপাতত চালিয়ে যেতে হবে। আদালতকে শর্মিলা ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি এ বার বিয়ে করতে চান! আনন্দবাজার

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X