রবিবার, ২৫শে জুন, ২০১৭ ইং, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, March 13, 2017 11:22 pm
A- A A+ Print

২০১৪ সালে আ.লীগ কার কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল—-মির্জা ফখরুলের পাল্টা প্রশ্ন

170407_1

ঢাকা: ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কার কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলো? এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তা পানি বন্টন চুক্তি ছাড়া অন্য কোনো চুক্তি মেনে নেয়া হবে না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি মানবে না জনগণ। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় নয়াপল্টনে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কার কাছে মুচলেকা দিয়েছিলেন? তিনি বলেন, জনগণের ধারণা আছে যে, ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশে আসলেন। তিনি সব জায়গায় দৌড়ালেন। এরশাদ সাহেবের কাছে গেলেন। তাকে নির্বাচনের জন্য রাজি করালেন। তাহলে কি মানুষ এটাই ভাববে যে ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভারতের ‘র’ এর ভুমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? বিএনপির এই নীতি র্নিধারক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মতো দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন মন্তব্যে এ কথা পরিস্কার করে দেয় যে, এদেশে তাহলে বিদেশিরা অবস্থান করছে। তারা বিভিন্ন ভাবে কাজ করছে এবং সরকার পরিবর্তনশীলতার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এ ধরণের উক্তি দেশ ও জাতির জন্যে কতটা মঙ্গলজনক হবে তা সহজেই অনুমেয়। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের সাথে বিভিন্ন নদীর পানি চুক্তি ছাড়া দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি হলে জনগণ মেনে নিবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসের ৮ তারিখে ভারতে যাবেন। আমরা আশা করছি তিনি তিস্তা পানি বন্টন চুক্তি করবেন। তবে দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি করলে দেশের জনগণ মানবে না। প্রসঙ্গত, শনিবার রাজধানীতে যুব মহিলা লীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের আগে যখন মার্কিন কোম্পানি আমাদের গ্যাস বিক্রি করতে চাইল ভারতের কাছে। ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল খালেদা জিয়া। দিয়েই তো ক্ষমতায় এসেছিলো। আমি তো দেইনি। আমি চেয়েছিলাম আগে দেশের মানুষের কাজে লাগবে, ৫০ বছরের রিজার্ভ থাকবে। তারপরে আমরা ভেবে দেখব বিক্রি করব কি করব না’। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে এত কথা বলে, এখানে সেই ‘র’ (ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা) এর প্রতিনিধি সে তো হাওয়া ভবনে বসেই থাকতো। আমেরিকার অ্যাম্বাসির লোক হাওয়া ভবনে বসেই থাকতো। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালের নিবার্চনে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদও জানান বিএনপি মহাসচিব।

Comments

Comments!

 ২০১৪ সালে আ.লীগ কার কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল—-মির্জা ফখরুলের পাল্টা প্রশ্নAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

২০১৪ সালে আ.লীগ কার কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল—-মির্জা ফখরুলের পাল্টা প্রশ্ন

Monday, March 13, 2017 11:22 pm
170407_1

ঢাকা: ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কার কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলো? এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তা পানি বন্টন চুক্তি ছাড়া অন্য কোনো চুক্তি মেনে নেয়া হবে না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি মানবে না জনগণ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় নয়াপল্টনে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কার কাছে মুচলেকা দিয়েছিলেন?

তিনি বলেন, জনগণের ধারণা আছে যে, ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশে আসলেন। তিনি সব জায়গায় দৌড়ালেন। এরশাদ সাহেবের কাছে গেলেন। তাকে নির্বাচনের জন্য রাজি করালেন। তাহলে কি মানুষ এটাই ভাববে যে ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভারতের ‘র’ এর ভুমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

বিএনপির এই নীতি র্নিধারক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মতো দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন মন্তব্যে এ কথা পরিস্কার করে দেয় যে, এদেশে তাহলে বিদেশিরা অবস্থান করছে। তারা বিভিন্ন ভাবে কাজ করছে এবং সরকার পরিবর্তনশীলতার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এ ধরণের উক্তি দেশ ও জাতির জন্যে কতটা মঙ্গলজনক হবে তা সহজেই অনুমেয়।

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের সাথে বিভিন্ন নদীর পানি চুক্তি ছাড়া দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি হলে জনগণ মেনে নিবে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসের ৮ তারিখে ভারতে যাবেন। আমরা আশা করছি তিনি তিস্তা পানি বন্টন চুক্তি করবেন। তবে দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব বিরোধী কোনো চুক্তি করলে দেশের জনগণ মানবে না।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাজধানীতে যুব মহিলা লীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের আগে যখন মার্কিন কোম্পানি আমাদের গ্যাস বিক্রি করতে চাইল ভারতের কাছে। ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল খালেদা জিয়া। দিয়েই তো ক্ষমতায় এসেছিলো। আমি তো দেইনি। আমি চেয়েছিলাম আগে দেশের মানুষের কাজে লাগবে, ৫০ বছরের রিজার্ভ থাকবে। তারপরে আমরা ভেবে দেখব বিক্রি করব কি করব না’।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে এত কথা বলে, এখানে সেই ‘র’ (ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা) এর প্রতিনিধি সে তো হাওয়া ভবনে বসেই থাকতো। আমেরিকার অ্যাম্বাসির লোক হাওয়া ভবনে বসেই থাকতো।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালের নিবার্চনে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদও জানান বিএনপি মহাসচিব।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X