মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, January 14, 2017 12:15 am
A- A A+ Print

২০১৯-এর মার্চে রেল ত্রিপুরার সাব্রুম টু চট্টগ্রাম বন্দর

38

ভারতের নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে কয়েক হাজার কোটি রুপি ব্যয় করে যে আঞ্চলিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে যাচ্ছে তার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত  পৌঁছা। গতকাল ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমস এ খবর দিয়েছে। আগরতলায় এ রেল কর্তৃপক্ষের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব জ্যোতি শর্মা ভারতের বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বলেছেন, ২০১৭ সালের মধ্যে রেললাইন দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা সদর বিলোনিয়াকে যুক্ত করবে। ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ত্রিপুরার সব শেষ সীমান্ত শহর সাব্রুমকে যুক্ত করবে নতুন রেল নেটওয়ার্ক। সাব্রুম থেকে মাত্র ৭৫ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। ওই বার্তা সংস্থাকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, ভারতীয় রেল যদি সাব্রুম পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে সহজেই যুক্ত করা সম্ভব হবে। সাব্রুম শহরটি বর্তমানে সড়ক পথে আগরতলা থেকে ১৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত। কিন্তু রেলপথ এ দূরত্ব কমিয়ে আনবে। নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের আখাউড়া রেল স্টেশনের সঙ্গে আগরতলাকে যুক্ত করতে ১৫ কি.মি. দীর্ঘ একটি রেল রুট তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গত বছর ৩১শে জুলাইয়ে আগরতলা-আখাউড়া রেল প্রকল্পটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেছিলেন ভারতের রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু এবং বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। মানিক সরকার আরো জানিয়েছেন, সাব্রুম পর্যন্ত রেল পৌঁছে গেলে তা খুব সহজে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে ত্রিপুরা এবং সমগ্র উত্তর ভারতকে যুক্ত করবে। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আগরতলা টু দিল্লি ভায়া কলকাতা ট্রেন গত বছর যথাক্রমে ৩১শে জুলাই ও ৮ই অক্টোবর চালু হয়েছে। এ অঞ্চলের রেলের প্রধান প্রকৌশলী মি. শিং জানিয়েছেন, দক্ষিণ আসামের বদরপুর থেকে আগরতলা পর্যন্ত ২২৭ কি.মি. দীর্ঘ মিটার গেজ রেল রুট ছিল। এই রেল রুটকে ২০১৬ কোটি রুপি ব্যয়ে গত বছর ব্রড গেজ করা হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে ৩ হাজার ৩শ’ ৫১ কোটি রুপি ব্যয়ে আগরতলা ও সাব্রুমের মধ্যকার ১১২ কি.মি. দীর্ঘ ব্রডগেজ রেল তৈরির কাজ শেষ হবে।

Comments

Comments!

 ২০১৯-এর মার্চে রেল ত্রিপুরার সাব্রুম টু চট্টগ্রাম বন্দরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

২০১৯-এর মার্চে রেল ত্রিপুরার সাব্রুম টু চট্টগ্রাম বন্দর

Saturday, January 14, 2017 12:15 am
38

ভারতের নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে কয়েক হাজার কোটি রুপি ব্যয় করে যে আঞ্চলিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে যাচ্ছে তার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত  পৌঁছা। গতকাল ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমস এ খবর দিয়েছে।
আগরতলায় এ রেল কর্তৃপক্ষের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব জ্যোতি শর্মা ভারতের বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বলেছেন, ২০১৭ সালের মধ্যে রেললাইন দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা সদর বিলোনিয়াকে যুক্ত করবে। ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ত্রিপুরার সব শেষ সীমান্ত শহর সাব্রুমকে যুক্ত করবে নতুন রেল নেটওয়ার্ক। সাব্রুম থেকে মাত্র ৭৫ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
ওই বার্তা সংস্থাকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, ভারতীয় রেল যদি সাব্রুম পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে সহজেই যুক্ত করা সম্ভব হবে। সাব্রুম শহরটি বর্তমানে সড়ক পথে আগরতলা থেকে ১৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত। কিন্তু রেলপথ এ দূরত্ব কমিয়ে আনবে।
নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের আখাউড়া রেল স্টেশনের সঙ্গে আগরতলাকে যুক্ত করতে ১৫ কি.মি. দীর্ঘ একটি রেল রুট তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গত বছর ৩১শে জুলাইয়ে আগরতলা-আখাউড়া রেল প্রকল্পটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেছিলেন ভারতের রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু এবং বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
মানিক সরকার আরো জানিয়েছেন, সাব্রুম পর্যন্ত রেল পৌঁছে গেলে তা খুব সহজে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে ত্রিপুরা এবং সমগ্র উত্তর ভারতকে যুক্ত করবে।
উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আগরতলা টু দিল্লি ভায়া কলকাতা ট্রেন গত বছর যথাক্রমে ৩১শে জুলাই ও ৮ই অক্টোবর চালু হয়েছে। এ অঞ্চলের রেলের প্রধান প্রকৌশলী মি. শিং জানিয়েছেন, দক্ষিণ আসামের বদরপুর থেকে আগরতলা পর্যন্ত ২২৭ কি.মি. দীর্ঘ মিটার গেজ রেল রুট ছিল। এই রেল রুটকে ২০১৬ কোটি রুপি ব্যয়ে গত বছর ব্রড গেজ করা হয়েছে।
২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে ৩ হাজার ৩শ’ ৫১ কোটি রুপি ব্যয়ে আগরতলা ও সাব্রুমের মধ্যকার ১১২ কি.মি. দীর্ঘ ব্রডগেজ রেল তৈরির কাজ শেষ হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X