বুধবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, October 11, 2017 7:30 pm
A- A A+ Print

২৫ আগস্টের আগেই রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে মিয়ানমার

3

রাখাইন রাজ্যে গত ২৫ আগস্ট পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার আগে থেকেই রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করতে দমন-পীড়ন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ শুরু করেছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বুধবার জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত মাসে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বুধবার এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন। গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে ৩০টি পুলিশ ও একটি সেনা চৌকিতে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এতোদিন ধরে বলা আসা হচ্ছিল এর পরদিন থেকেই রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযানে নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এই অভিযানে নিরাপত্তা  বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় চরমপন্থী বৌদ্ধরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ আগস্ট পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে হামলার আগে থেকেই রোহিঙ্গাদের নির্মূল অভিযান শুরু করেছিল সেনাবাহিনী। এসময় সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের হত্যা-নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণ করেছে। মিয়ানমার সরকারের এই কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ উল্লেখ করে মানবাধিকার দপ্তরের হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন বলেন, দেখা যাচ্ছে এই অভিযান ‘ফেরার সম্ভাবনা বাতিল করে বিপুল সংখ্যক লোককে জোর করে স্থানান্তরের একটি বিদ্বেষমূলক পরিকল্পনা।’ জেনেভায় নিজের দপ্তরে প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আল-হুসেইন বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য তথ্য এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ইচ্ছা করেই উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, তাদের বাড়িঘর ও পুরো গ্রামে অগ্নিসংযোগ করেছে, যাতে এই লোকদের কেবল উচ্ছেদই নয়, বরঞ্চ তারা যাতে আর বাড়িঘরে ফিরতে না পারে সেটাও ঠেকানো।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, নিরাপরাধ লোকদের আহত ও হত্যা করেছে এবং তাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে।’ এতে বলা হয়েছে, ‘প্রায় সব সাক্ষ্যতেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, আতংকিত লোকজন যখন পালাচ্ছিল তখন খুব কাছ থেকে তাদের পেছনে গুলি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, শিশু ও বয়স্কসহ রোহিঙ্গাদের তাদের ঘরের ভেতরে রেখেই পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

Comments

Comments!

 ২৫ আগস্টের আগেই রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে মিয়ানমারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

২৫ আগস্টের আগেই রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে মিয়ানমার

Wednesday, October 11, 2017 7:30 pm
3

রাখাইন রাজ্যে গত ২৫ আগস্ট পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার আগে থেকেই রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করতে দমন-পীড়ন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ শুরু করেছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বুধবার জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত মাসে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বুধবার এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন।

গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে ৩০টি পুলিশ ও একটি সেনা চৌকিতে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এতোদিন ধরে বলা আসা হচ্ছিল এর পরদিন থেকেই রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযানে নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এই অভিযানে নিরাপত্তা  বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় চরমপন্থী বৌদ্ধরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ আগস্ট পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে হামলার আগে থেকেই রোহিঙ্গাদের নির্মূল অভিযান শুরু করেছিল সেনাবাহিনী। এসময় সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের হত্যা-নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণ করেছে।

মিয়ানমার সরকারের এই কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ উল্লেখ করে মানবাধিকার দপ্তরের হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন বলেন, দেখা যাচ্ছে এই অভিযান ‘ফেরার সম্ভাবনা বাতিল করে বিপুল সংখ্যক লোককে জোর করে স্থানান্তরের একটি বিদ্বেষমূলক পরিকল্পনা।’

জেনেভায় নিজের দপ্তরে প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আল-হুসেইন বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য তথ্য এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ইচ্ছা করেই উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, তাদের বাড়িঘর ও পুরো গ্রামে অগ্নিসংযোগ করেছে, যাতে এই লোকদের কেবল উচ্ছেদই নয়, বরঞ্চ তারা যাতে আর বাড়িঘরে ফিরতে না পারে সেটাও ঠেকানো।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, নিরাপরাধ লোকদের আহত ও হত্যা করেছে এবং তাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে।’

এতে বলা হয়েছে, ‘প্রায় সব সাক্ষ্যতেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, আতংকিত লোকজন যখন পালাচ্ছিল তখন খুব কাছ থেকে তাদের পেছনে গুলি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, শিশু ও বয়স্কসহ রোহিঙ্গাদের তাদের ঘরের ভেতরে রেখেই পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X