শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:১৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 28, 2016 11:03 pm
A- A A+ Print

‘২৮ অক্টোবরের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে’

8

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ড শুধুই নির্মম ও পৈশাচিক ঘটনা নয় বরং এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র হত্যা, আধিপত্যবাদী অপশক্তির কালো থাবা বিস্তার ও স্বৈরতন্ত্র এবং ফ্যাসীতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বদরবারে আমাদেরকে বর্বর জাতি হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। কিন্তু শহীদানের রক্ত কখনো বৃথা যায়নি, আর কখনো যাবেও না বরং শহীদদের রক্তের পথ ধরেই দেশে ন্যায়-ইসনাফের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড এবং সরকারের গুম, খুন, হত্যা, সন্ত্রাস ও জুলুম-নির্যাতন শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে কেন্দ্র ‘দোয়া দিবস’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী এ সভা ও দোয়ার আয়োজন করেন। কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকিরের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ হোসাইন ও ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ড. এডভোকেট হেলাল উদ্দীন। এতে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য খন্দকার আবু ফতেহ ও মাওলানা মীর আমিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুল করিম, আবুল হাসেম, কামাল উদ্দীন আনসারী ও মাওলানা কামাল হোসাইন প্রমুখ। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতেই গোটা দেশেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। গুম, খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অপহরণ ও গুপ্তহত্যা লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো গ্যারান্টি নেই। জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করতেই তরুণ ও মেধাবীদের বিশেষভাবে টার্গেট করে কথিত ক্রস ফায়ারের নামে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। যার সূচনা হয়েছিল ২৮ অক্টোবরের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে একদিকে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কিত করা হয়েছে, অন্যদিকে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কবর রচনা করা হয়েছিল। মূলত লগি-বৈঠার তাণ্ডবের মাধ্যমে যারা এই হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের পরিচয় কারো অজানা নয়। তাই এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। তিনি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র ও আধিপত্যবদী অপশক্তির সম্মিলিত পদচারণা চলছে। এই অপশক্তির ষড়যন্ত্রেই পিলখানা ট্রাজেডির মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ধ্বংস ও দেশের সীমান্তকে অরক্ষিত করা হয়েছে। শাসক দলের হাতে আজ গণতন্ত্র ও দেশ নিরাপদ নয়। এহেন অবস্থায় ২৮ অক্টোবর, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শোকাহত হলেই চলবে না বরং শোককে শক্তিকে পরিণত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে জাতিকে জাগ্রত করে লড়াই-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। ২৮ অক্টোবরের খুনিদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, দেশকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করে করদরাজ্য বানানোর জন্যই বিশ্বখ্যাত আলেমে দ্বীন, সাবেক সফল মন্ত্রী ও আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে শহীদ করা হয়েছে। একইভাবে অপরাপর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকেও একইভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মূলত এসব ২৮ অক্টোবরের দেশ ও জাতিস্বত্ত্বাবিরোধী ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। তাই এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সজাগ ও সচেতন করার কোনো বিকল্প নেই। তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের শহীদ সহ সকল শহীদের রক্তের বদলা নেয়া হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Comments

Comments!

 ‘২৮ অক্টোবরের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘২৮ অক্টোবরের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে’

Friday, October 28, 2016 11:03 pm
8

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ড শুধুই নির্মম ও পৈশাচিক ঘটনা নয় বরং এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র হত্যা, আধিপত্যবাদী অপশক্তির কালো থাবা বিস্তার ও স্বৈরতন্ত্র এবং ফ্যাসীতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বদরবারে আমাদেরকে বর্বর জাতি হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। কিন্তু শহীদানের রক্ত কখনো বৃথা যায়নি, আর কখনো যাবেও না বরং শহীদদের রক্তের পথ ধরেই দেশে ন্যায়-ইসনাফের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড এবং সরকারের গুম, খুন, হত্যা, সন্ত্রাস ও জুলুম-নির্যাতন শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শুক্রবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে কেন্দ্র ‘দোয়া দিবস’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী এ সভা ও দোয়ার আয়োজন করেন।

কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকিরের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ হোসাইন ও ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ড. এডভোকেট হেলাল উদ্দীন।

এতে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য খন্দকার আবু ফতেহ ও মাওলানা মীর আমিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুল করিম, আবুল হাসেম, কামাল উদ্দীন আনসারী ও মাওলানা কামাল হোসাইন প্রমুখ।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতেই গোটা দেশেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। গুম, খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অপহরণ ও গুপ্তহত্যা লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো গ্যারান্টি নেই। জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করতেই তরুণ ও মেধাবীদের বিশেষভাবে টার্গেট করে কথিত ক্রস ফায়ারের নামে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। যার সূচনা হয়েছিল ২৮ অক্টোবরের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে একদিকে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কিত করা হয়েছে, অন্যদিকে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কবর রচনা করা হয়েছিল। মূলত লগি-বৈঠার তাণ্ডবের মাধ্যমে যারা এই হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের পরিচয় কারো অজানা নয়। তাই এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র ও আধিপত্যবদী অপশক্তির সম্মিলিত পদচারণা চলছে। এই অপশক্তির ষড়যন্ত্রেই পিলখানা ট্রাজেডির মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ধ্বংস ও দেশের সীমান্তকে অরক্ষিত করা হয়েছে। শাসক দলের হাতে আজ গণতন্ত্র ও দেশ নিরাপদ নয়। এহেন অবস্থায় ২৮ অক্টোবর, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শোকাহত হলেই চলবে না বরং শোককে শক্তিকে পরিণত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে জাতিকে জাগ্রত করে লড়াই-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। ২৮ অক্টোবরের খুনিদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, দেশকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করে করদরাজ্য বানানোর জন্যই বিশ্বখ্যাত আলেমে দ্বীন, সাবেক সফল মন্ত্রী ও আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে শহীদ করা হয়েছে। একইভাবে অপরাপর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকেও একইভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মূলত এসব ২৮ অক্টোবরের দেশ ও জাতিস্বত্ত্বাবিরোধী ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। তাই এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সজাগ ও সচেতন করার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের শহীদ সহ সকল শহীদের রক্তের বদলা নেয়া হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X