রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 23, 2016 7:07 pm
A- A A+ Print

৩২ জিবি আইফোন ৭ কিনতে আগ্রহী?

iphone_11477220458

আপনি যদি দামের কারণে আইফোন ৭ এর ৩২ জিবি ভার্সন কিনতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য হতাশাজনক খবর হচ্ছে, ৩২ জিবি স্টোরেজের ভার্সনটি বেশি স্টোরেজের ভার্সনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ধীরগতির! দুইটি পৃথক সাইট কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, আইফোন ৭ এর ১২৮ জিবি ভার্সনের তুলনায় ৩২ জিবি ভার্সনটির ডাটা রিডিং গতি প্রায় ২০০এমবিপিএস ধীরগতি সম্পন্ন। বেশি স্টোরেজের ভার্সনটির গতি যেখানে দেখা গেছে ৮৫৬এমবিপিএস, যেখানে ৩২ জিবি আইফোন ৭ মাত্র ৬৫৬এমবিপিএস গতিতে সীমাবদ্ধ। ১২৮ জিবি আইফোন ৭ ভার্সনের তুলনায় ৩২ জিবি আইফোন ৭ হ্যান্ডসেটে ছবি এবং অ্যাপস সহ অন্যান্য ডাটা ইন্টারনাল স্টোরেজে সংরক্ষণ ৮ গুণ বেশি ধীরগতির। যেখানে ৩২ জিবির গতি ৪২ এমবিপিএস, সেখানে ১২৮ জিবির গতির ৩৪১ এমবিপিএস। স্টোরেজ ভেদে আইফোন ৭ এর এই পারফরম্যান্সের পরীক্ষাটি চালিয়েছ জিএসএম অ্যারেনা এবং আনবক্স থেরাপি। এবং এই পার্থক্য শুধু স্টোরেজের ক্ষেত্রেই নয়। সেলুলার ইনসাইটস জানিয়েছে, তারা আইফোন ৭ প্লাস এর ভিন্ন ভার্সনেও নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতার পার্থক্য রয়েছে। ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যে যে আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে, তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের আইফোন ৭ প্লাস পরীক্ষা করেছে সাইটটি। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, এ১৭৭৮ এবং এ১৭৮৪ মডেল- যা ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের বাজারে রয়েছে সেগুলোর নেটওয়ার্ক নিম্নমানের, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে থাকা এ১৬৬০ এবং এ১৬৬১ মডেলের আইফোন ৭ প্লাসের তুলনায়। এই পার্থক্যের হয়েছে ওয়্যারলেস সিগন্যালের জন্য ব্যবহৃত আলাদা আলাদা মডেম চিপ মডেলগুলোতে থাকায়। ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের আইফোন ৭ প্লাস মডেলগুলা ইন্টেল মডেম চিপের মাধ্যমে ফোরজি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মডেলগুলোতে ব্যবহৃত হয়েছে কোয়ালকমের মডেম। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, কোয়ালকম চিপের মডেমের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বাজে নেটওয়ার্ক প্রদান করে ইন্টেল চিপের আইফোন ৭ প্লাস। এ প্রসঙ্গে সেলুলার ইনসাইটের কর্মকর্তা মিলান মিলানোভিচ দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকাকে বলেন, ‘সব পরীক্ষায় কোয়ালকম মডেমের আইফোন ৭ প্লাস এর উল্লেখযোগ্য দারুন পারফরম্যান্স দেখা গেছে, ইন্টেল মডেম ব্যবহৃত আইফোন ৭ প্লাস এর তুলনায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘অ্যাপল তাদের নতুন আইফোনে দুইটি ভিন্ন ধরনের মডেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মডেম ব্যবহার করার সঠিক কারণ কী হতে পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না।’ এদিকে এ ফলাফল এটাও প্রমাণ করছে যে, মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল ব্যর্থতা বা ধীর তথ্য গতির জন্য মোবাইল অপারেটর একমাত্র দায়ী নয়, হ্যান্ডসেট নিজেও এর কারণ হতে পারে।

Comments

Comments!

 ৩২ জিবি আইফোন ৭ কিনতে আগ্রহী?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৩২ জিবি আইফোন ৭ কিনতে আগ্রহী?

Sunday, October 23, 2016 7:07 pm
iphone_11477220458

আপনি যদি দামের কারণে আইফোন ৭ এর ৩২ জিবি ভার্সন কিনতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য হতাশাজনক খবর হচ্ছে, ৩২ জিবি স্টোরেজের ভার্সনটি বেশি স্টোরেজের ভার্সনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ধীরগতির!

দুইটি পৃথক সাইট কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, আইফোন ৭ এর ১২৮ জিবি ভার্সনের তুলনায় ৩২ জিবি ভার্সনটির ডাটা রিডিং গতি প্রায় ২০০এমবিপিএস ধীরগতি সম্পন্ন।

বেশি স্টোরেজের ভার্সনটির গতি যেখানে দেখা গেছে ৮৫৬এমবিপিএস, যেখানে ৩২ জিবি আইফোন ৭ মাত্র ৬৫৬এমবিপিএস গতিতে সীমাবদ্ধ।

১২৮ জিবি আইফোন ৭ ভার্সনের তুলনায় ৩২ জিবি আইফোন ৭ হ্যান্ডসেটে ছবি এবং অ্যাপস সহ অন্যান্য ডাটা ইন্টারনাল স্টোরেজে সংরক্ষণ ৮ গুণ বেশি ধীরগতির। যেখানে ৩২ জিবির গতি ৪২ এমবিপিএস, সেখানে ১২৮ জিবির গতির ৩৪১ এমবিপিএস।

স্টোরেজ ভেদে আইফোন ৭ এর এই পারফরম্যান্সের পরীক্ষাটি চালিয়েছ জিএসএম অ্যারেনা এবং আনবক্স থেরাপি। এবং এই পার্থক্য শুধু স্টোরেজের ক্ষেত্রেই নয়।

সেলুলার ইনসাইটস জানিয়েছে, তারা আইফোন ৭ প্লাস এর ভিন্ন ভার্সনেও নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতার পার্থক্য রয়েছে। ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যে যে আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে, তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের আইফোন ৭ প্লাস পরীক্ষা করেছে সাইটটি।

পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, এ১৭৭৮ এবং এ১৭৮৪ মডেল- যা ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের বাজারে রয়েছে সেগুলোর নেটওয়ার্ক নিম্নমানের, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে থাকা এ১৬৬০ এবং এ১৬৬১ মডেলের আইফোন ৭ প্লাসের তুলনায়। এই পার্থক্যের হয়েছে ওয়্যারলেস সিগন্যালের জন্য ব্যবহৃত আলাদা আলাদা মডেম চিপ মডেলগুলোতে থাকায়।

ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের আইফোন ৭ প্লাস মডেলগুলা ইন্টেল মডেম চিপের মাধ্যমে ফোরজি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মডেলগুলোতে ব্যবহৃত হয়েছে কোয়ালকমের মডেম।

পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, কোয়ালকম চিপের মডেমের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বাজে নেটওয়ার্ক প্রদান করে ইন্টেল চিপের আইফোন ৭ প্লাস।

এ প্রসঙ্গে সেলুলার ইনসাইটের কর্মকর্তা মিলান মিলানোভিচ দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকাকে বলেন, ‘সব পরীক্ষায় কোয়ালকম মডেমের আইফোন ৭ প্লাস এর উল্লেখযোগ্য দারুন পারফরম্যান্স দেখা গেছে, ইন্টেল মডেম ব্যবহৃত আইফোন ৭ প্লাস এর তুলনায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘অ্যাপল তাদের নতুন আইফোনে দুইটি ভিন্ন ধরনের মডেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মডেম ব্যবহার করার সঠিক কারণ কী হতে পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না।’

এদিকে এ ফলাফল এটাও প্রমাণ করছে যে, মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল ব্যর্থতা বা ধীর তথ্য গতির জন্য মোবাইল অপারেটর একমাত্র দায়ী নয়, হ্যান্ডসেট নিজেও এর কারণ হতে পারে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X