শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 26, 2017 7:15 pm
A- A A+ Print

৩৫ বছর পর ‘পাকিস্তানি’ সেঞ্চুরি দেখল অস্ট্রেলিয়া

30

‘ইয়েস!’ ঘুষি পাঁকিয়েই উদযাপন করলেন বাবর আজম। উদযাপনটায় উল্লাসের মাত্রা আরও বাড়তেই পারত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সেঞ্চুরি পাকিস্তানের জন্য বিরল ঘটনা। এর আগে এই কীর্তি একজনই করেছিলেন। জহির আব্বাসের ৩৫ বছর পর এবার বাবরের ব্যাটে এমন সেঞ্চুরি। অবশ্য এমন উদযাপনের কারণেই কি না, সেঞ্চুরির পরপরই আউট হয়ে গেছেন বাবর। তখনই হয়তো পাকিস্তানের পরাজয় এক রকম নিশ্চিত হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার তোলা ৩৬৯ রানের জবাব পাকিস্তান ভালোই দিচ্ছিল ১ উইকেটে ১৪০ রান তুলে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৯ উইকেটে ৩১২ করে হারল ৫৭ রানে। এই ম্যাচ জিতলেও পাকিস্তানের তেমন কোনো প্রাপ্তি হতো না। সিরিজ ৩-১-এ নির্ধারিত হয়েই গেছে। তবে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে বাবর অনেক দিন মনে রাখবেন নিশ্চয়ই। ১৯৮১ সালে সিডনিতে ১০৮ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন জহির আব্বাস। তাঁর আগে ও পরে আর কেউ সেঞ্চুরি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। সেই অপেক্ষা অবশেষে বাবরে ঘুচল। তাদের আরও কত দিন অপেক্ষা করতে হয় কে জানে। সব দল মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি অবশ্য ১১তম পাকিস্তানি সেঞ্চুরি। সংখ্যাটা কম তো বটেই, ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো দলের বিপক্ষেই সেঞ্চুরি পায়নি পাকিস্তান। ১০ রানে প্রথম উইকেট হারালেও শারজিল খানকে নিয়ে দারুণ একটা জুটি গড়েছিলেন বাবর। যদিও অস্ট্রেলিয়ার বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যটাই এত বেশি ছিল, পাকিস্তান ম্যাচ জিততে পারে এমন জোর সম্ভাবনা কখনো তৈরি হয়নি। শারজিল ৭৯ রান করে ফিরে যাওয়ার পর পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের দুই অভিজ্ঞও হতাশ করেছেন। হাফিজ ​৩ রানে আউট হয়েছেন। আর শোয়েব মালিক ১০ রান করে আহত অবসর হয়ে ফিরেছেন। বাবরকে ঘিরে তবু আশা ছিল। ৩৭তম ওভারের বাবর ফিরলে পাকিস্তানের স্কোর হয়ে যায় ৪ উইকেটে ২২০। মালিকের চোট কার্যত যেটিকে ৫ উইকেট বানিয়ে দিয়েছিল। উমর আকমলের ৪০ বলে ৪৬-এর পর শেষ দিকে আর কারও তেমন রান নেই। ম্যাচ যত এগিয়েছে, ততই পরাজয়ের আরও কাছে গিয়েছে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথমবার আর সব মিলিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ৩০০ পেরোনো স্কোরের সান্ত্বনা নিয়ে ​শেষ। এর মধ্যে তাদের প্রাপ্তি বাবরের ওই বিরল সেঞ্চুরি​ই।

Comments

Comments!

 ৩৫ বছর পর ‘পাকিস্তানি’ সেঞ্চুরি দেখল অস্ট্রেলিয়াAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৩৫ বছর পর ‘পাকিস্তানি’ সেঞ্চুরি দেখল অস্ট্রেলিয়া

Thursday, January 26, 2017 7:15 pm
30

‘ইয়েস!’ ঘুষি পাঁকিয়েই উদযাপন করলেন বাবর আজম। উদযাপনটায় উল্লাসের মাত্রা আরও বাড়তেই পারত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সেঞ্চুরি পাকিস্তানের জন্য বিরল ঘটনা। এর আগে এই কীর্তি একজনই করেছিলেন। জহির আব্বাসের ৩৫ বছর পর এবার বাবরের ব্যাটে এমন সেঞ্চুরি।
অবশ্য এমন উদযাপনের কারণেই কি না, সেঞ্চুরির পরপরই আউট হয়ে গেছেন বাবর। তখনই হয়তো পাকিস্তানের পরাজয় এক রকম নিশ্চিত হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার তোলা ৩৬৯ রানের জবাব পাকিস্তান ভালোই দিচ্ছিল ১ উইকেটে ১৪০ রান তুলে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৯ উইকেটে ৩১২ করে হারল ৫৭ রানে।
এই ম্যাচ জিতলেও পাকিস্তানের তেমন কোনো প্রাপ্তি হতো না। সিরিজ ৩-১-এ নির্ধারিত হয়েই গেছে। তবে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে বাবর অনেক দিন মনে রাখবেন নিশ্চয়ই। ১৯৮১ সালে সিডনিতে ১০৮ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন জহির আব্বাস। তাঁর আগে ও পরে আর কেউ সেঞ্চুরি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। সেই অপেক্ষা অবশেষে বাবরে ঘুচল। তাদের আরও কত দিন অপেক্ষা করতে হয় কে জানে।
সব দল মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি অবশ্য ১১তম পাকিস্তানি সেঞ্চুরি। সংখ্যাটা কম তো বটেই, ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো দলের বিপক্ষেই সেঞ্চুরি পায়নি পাকিস্তান।
১০ রানে প্রথম উইকেট হারালেও শারজিল খানকে নিয়ে দারুণ একটা জুটি গড়েছিলেন বাবর। যদিও অস্ট্রেলিয়ার বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যটাই এত বেশি ছিল, পাকিস্তান ম্যাচ জিততে পারে এমন জোর সম্ভাবনা কখনো তৈরি হয়নি। শারজিল ৭৯ রান করে ফিরে যাওয়ার পর পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের দুই অভিজ্ঞও হতাশ করেছেন। হাফিজ ​৩ রানে আউট হয়েছেন। আর শোয়েব মালিক ১০ রান করে আহত অবসর হয়ে ফিরেছেন।
বাবরকে ঘিরে তবু আশা ছিল। ৩৭তম ওভারের বাবর ফিরলে পাকিস্তানের স্কোর হয়ে যায় ৪ উইকেটে ২২০। মালিকের চোট কার্যত যেটিকে ৫ উইকেট বানিয়ে দিয়েছিল। উমর আকমলের ৪০ বলে ৪৬-এর পর শেষ দিকে আর কারও তেমন রান নেই। ম্যাচ যত এগিয়েছে, ততই পরাজয়ের আরও কাছে গিয়েছে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথমবার আর সব মিলিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ৩০০ পেরোনো স্কোরের সান্ত্বনা নিয়ে ​শেষ। এর মধ্যে তাদের প্রাপ্তি বাবরের ওই বিরল সেঞ্চুরি​ই।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X