সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 29, 2017 12:28 pm
A- A A+ Print

৩৬০০ কোটি রুপি খরচ করে তৈরি ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যর্থ

3

দিল্লি: দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ‘আকাশ’ এর পরীক্ষায় তৃতীয়বারের মতো ব্যর্থ হয়েছে ভারত। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রকল্পটিতে ৩ হাজার ৬শ’ কোটি রুপি ব্যয় করেও এখন পর্যন্ত সফলতার মুখ দেখেনি দেশটি। ভারতের জাতীয় নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি বা ক্যাগ) এই তথ্য জানিয়েছে। ক্যাগ দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ত্রুটি বৈরি পরিস্থিতিতে এর কর্মক্ষমতা নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে। ক্যাগে’র এই প্রতিবেদনকে ভারত অস্ত্র আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয়ভাবে উৎপাদনের যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতের সংসদে দেয়া এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে কম দূরত্বে গিয়ে পতিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় গতিবেগের তুলনায় এর গতিও ছিল অনেক কম। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটেও ত্রুটি ছিল। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে। ভারতের বিমান বাহিনী ক্যাগের প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করেছে ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ভারত ইলেক্ট্রনিক্স। ‘ক্যাগ’ বলছে, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ হাজার ৬শ’ কোটি রুপি পরিশোধ করা হলেও ছয়টি মনোনীত সাইটে এখন পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটিও বসানো হয়নি। এমনকি চুক্তি সই হওয়ার সাত বছর পরেও তা সম্ভব হয়নি। ‘আকাশ’ ও এর নতুনতম সংস্করণ ‘আকাশ এমকে-২’ মধ্যম পরিসরের ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা ১৮ থেকে ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে শত্রুর যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ২০০৮ সালে এর পরীক্ষা চালায়। ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে। দু’বছর পরে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের আরো ৬টি স্ক্যোয়াড্রন বানানোর নির্দেশ দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। যার মধ্যে আলাদা ৩টি স্ক্যোয়াড্রনে থাকবে মিসাইল লঞ্চার, র‌্যাডার আর শতাধিক ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র। ওই ৩টি স্ক্যোয়াড্রন থাকার কথা পূর্বাঞ্চলে বিমানবাহিনীর ৬টি ঘাঁটিতে। ‘ক্যাগ’ রিপোর্ট বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২০১৪ সালের এপ্রিল ও ২০১৬ সালের জুনে বিমান বাহিনীর কাছে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু এতেও ছয় থেকে ১৮ মাস বিলম্ব হয়। এগুলোর মানেও ত্রুটি পাওয়া যায়। ২০১৪ সালের নভেম্বরে বিমান বাহিনীর কাছে ৮০টি মিসাইল সরবরাহ করে কোম্পানিটি। ওই বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বরের মধ্যে ২০টি মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়। এসব মিসাইলের ছয়টি অর্থাৎ ৩০ শতাংশই ব্যর্থ হয়।

Comments

Comments!

 ৩৬০০ কোটি রুপি খরচ করে তৈরি ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যর্থAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৩৬০০ কোটি রুপি খরচ করে তৈরি ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যর্থ

Saturday, July 29, 2017 12:28 pm
3

দিল্লি: দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ‘আকাশ’ এর পরীক্ষায় তৃতীয়বারের মতো ব্যর্থ হয়েছে ভারত। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রকল্পটিতে ৩ হাজার ৬শ’ কোটি রুপি ব্যয় করেও এখন পর্যন্ত সফলতার মুখ দেখেনি দেশটি। ভারতের জাতীয় নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি বা ক্যাগ) এই তথ্য জানিয়েছে। ক্যাগ দাবি করেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ত্রুটি বৈরি পরিস্থিতিতে এর কর্মক্ষমতা নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।

ক্যাগে’র এই প্রতিবেদনকে ভারত অস্ত্র আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয়ভাবে উৎপাদনের যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সংসদে দেয়া এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে কম দূরত্বে গিয়ে পতিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় গতিবেগের তুলনায় এর গতিও ছিল অনেক কম। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটেও ত্রুটি ছিল।

ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে। ভারতের বিমান বাহিনী ক্যাগের প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করেছে ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ভারত ইলেক্ট্রনিক্স। ‘ক্যাগ’ বলছে, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ হাজার ৬শ’ কোটি রুপি পরিশোধ করা হলেও ছয়টি মনোনীত সাইটে এখন পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটিও বসানো হয়নি। এমনকি চুক্তি সই হওয়ার সাত বছর পরেও তা সম্ভব হয়নি।

‘আকাশ’ ও এর নতুনতম সংস্করণ ‘আকাশ এমকে-২’ মধ্যম পরিসরের ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা ১৮ থেকে ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে শত্রুর যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ২০০৮ সালে এর পরীক্ষা চালায়।

‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে। দু’বছর পরে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের আরো ৬টি স্ক্যোয়াড্রন বানানোর নির্দেশ দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। যার মধ্যে আলাদা ৩টি স্ক্যোয়াড্রনে থাকবে মিসাইল লঞ্চার, র‌্যাডার আর শতাধিক ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র। ওই ৩টি স্ক্যোয়াড্রন থাকার কথা পূর্বাঞ্চলে বিমানবাহিনীর ৬টি ঘাঁটিতে।

‘ক্যাগ’ রিপোর্ট বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২০১৪ সালের এপ্রিল ও ২০১৬ সালের জুনে বিমান বাহিনীর কাছে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু এতেও ছয় থেকে ১৮ মাস বিলম্ব হয়। এগুলোর মানেও ত্রুটি পাওয়া যায়। ২০১৪ সালের নভেম্বরে বিমান বাহিনীর কাছে ৮০টি মিসাইল সরবরাহ করে কোম্পানিটি। ওই বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বরের মধ্যে ২০টি মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়। এসব মিসাইলের ছয়টি অর্থাৎ ৩০ শতাংশই ব্যর্থ হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X