রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:১০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 23, 2017 9:29 am
A- A A+ Print

৪৫০ কোটি টাকা আদায়ে নিলামে উঠছে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়

2

ঢাকা: দেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম বা সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তুলেছে ন্যাশনাল ব্যাংক। আগামী ১৮ জুন এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। ৪৫০ কোটি টাকার বকেয়া ঋণ আদায়ে ঢাকার মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় যে ভবনে অবস্থিত, সেটির নাম প্যাসিফিক সেন্টার। প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান। সিটিসেল সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে দুই দফায় মোট ৬০০ কোটি টাকা ঋণ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ নেয়া ঋণের টাকা দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৫০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করে সিটিসেল। ঋণের জামানত হিসেবে প্রধান কার্যালয় বন্ধক রাখা হয়। প্রথম দফায় নেয়া ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৪ কোটি টাকা। বকেয়া এই অর্থ আদায়ে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে ত্রয়োদশ তলা পর্যন্ত আটটি ফ্লোর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৪ হাজার ৮৫০ বর্গফুট। জানতে চাইলে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুল বলেন, ‘প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ আদায়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে তা-ই করা হয়েছে।’ বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় গত বছরের ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল করে এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। সিটিসেলের কাছে সংস্থার বকেয়া ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। তবে বিটিআরসির হিসাবকে চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের অক্টোবরে আদালতে মামলা করে সিটিসেল। আপিল বিভাগের নির্দেশে গত ৬ নভেম্বর সিটিসেলের কার্যক্রম আবার চালু হয়। বর্তমানে অপারেটরটির কোনো গ্রাহক নেই। বকেয়া নিয়ে বিটিআরসি ও সিটিসেলের দ্বন্দ্ব দূর করতে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি কমিটি করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। জানতে চাইলে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, খুব শিগগির এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ন্যাশনাল ব্যাংক ছাড়াও দেশি-বিদেশি ২৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সিটিসেলের ঋণ তিন হাজার কোটি টাকা। বিদেশি চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের পরিমাণ ২৯৩ কোটি টাকা। জানতে চাইলে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী থাইল্যান্ড থেকে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি এখন দেশের বাইরে আছি। ঢাকায় ফিরলে বুঝতে পারব কী হয়েছে।’

Comments

Comments!

 ৪৫০ কোটি টাকা আদায়ে নিলামে উঠছে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৪৫০ কোটি টাকা আদায়ে নিলামে উঠছে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়

Tuesday, May 23, 2017 9:29 am
2

ঢাকা: দেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম বা সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তুলেছে ন্যাশনাল ব্যাংক। আগামী ১৮ জুন এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

৪৫০ কোটি টাকার বকেয়া ঋণ আদায়ে ঢাকার মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি।

মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় যে ভবনে অবস্থিত, সেটির নাম প্যাসিফিক সেন্টার। প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান।

সিটিসেল সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে দুই দফায় মোট ৬০০ কোটি টাকা ঋণ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ নেয়া ঋণের টাকা দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৫০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করে সিটিসেল। ঋণের জামানত হিসেবে প্রধান কার্যালয় বন্ধক রাখা হয়।

প্রথম দফায় নেয়া ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৪ কোটি টাকা। বকেয়া এই অর্থ আদায়ে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে ত্রয়োদশ তলা পর্যন্ত আটটি ফ্লোর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৪ হাজার ৮৫০ বর্গফুট।

জানতে চাইলে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুল বলেন, ‘প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ আদায়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে তা-ই করা হয়েছে।’

বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় গত বছরের ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল করে এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। সিটিসেলের কাছে সংস্থার বকেয়া ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। তবে বিটিআরসির হিসাবকে চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের অক্টোবরে আদালতে মামলা করে সিটিসেল। আপিল বিভাগের নির্দেশে গত ৬ নভেম্বর সিটিসেলের কার্যক্রম আবার চালু হয়। বর্তমানে অপারেটরটির কোনো গ্রাহক নেই।

বকেয়া নিয়ে বিটিআরসি ও সিটিসেলের দ্বন্দ্ব দূর করতে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি কমিটি করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। জানতে চাইলে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, খুব শিগগির এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

ন্যাশনাল ব্যাংক ছাড়াও দেশি-বিদেশি ২৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সিটিসেলের ঋণ তিন হাজার কোটি টাকা। বিদেশি চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের পরিমাণ ২৯৩ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী থাইল্যান্ড থেকে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি এখন দেশের বাইরে আছি। ঢাকায় ফিরলে বুঝতে পারব কী হয়েছে।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X