শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৪৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 10:38 pm
A- A A+ Print

৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জনের মধ্যে পরিচয় পত্র পাচ্ছে মাত্র ৩২ হাজার রোহিঙ্গা

165111_1

মায়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জনের মধ্যে মাত্র ৩২ হাজার ১৬ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন আইডেন্টি কার্ড দেয়া হচ্ছে। যে সব রোহিঙ্গা মুসলমান তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে শুধু মাত্র তারাই আইডেন্টি কার্ড পাচ্ছে। আর এ ধরনের কার্ড যাচাই বাছাই করে দিচ্ছে স্টেট কাউন্সিলর অফিস। যেটির প্রধান স্টেট অব দি কাউন্সিলর অং সাং সুচি। ১৯৮২ সালে মায়ানমার সিটিজেন ‘ল’ অনুসারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের দেশটির নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়। এরপর এ আইনের আওতায় তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এই সার্টিফিকেট জমা দিতে বলা হয় এবং তাদের মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে আইডেন্টি কার্ড দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু ইতিমধ্যে বছরের পর বছর ধরে বেশ কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত থাকায় তারা বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত,সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম মায়ানমার থেকে আশ্রয় নিলেও দীর্ঘদিন ধরে এদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করছে দেশটি। মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অফিস বলছে, ‘রাখাইনে ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭২ জনকে অস্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছিল। দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবছরের পহেলা জুন অস্থায়ী পরিচয় পত্রের বদলে পরিচয় পত্র দেয়া শুরু করে’। এদিকে মায়ানমারে ওআইসি’র বিশেষ দূত সাইয়েদ হামিদ আলবার মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এধরনের রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার পর তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে ওআইসি কোনো চাপ প্রয়োগ বা ব্যবস্থা নেবে কি না সে সম্পর্কে বিশেষ দূত কিছু জানাননি। তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের রেজিস্ট্রেশন রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্যে দেশটিতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষা সুযোগ সৃষ্টি করবে। কুয়ালালামপুরে ওআইসির বিশেষ দূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতিসংঘের শরণার্থী পরিচয়পত্রের ওপর মালয়েশিয়ার বেশি দিন বিবেচনা করা উচিত নয় বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশন করা জরুরি’। সূত্র: মিজিমা ডট কম
 

Comments

Comments!

 ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জনের মধ্যে পরিচয় পত্র পাচ্ছে মাত্র ৩২ হাজার রোহিঙ্গাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জনের মধ্যে পরিচয় পত্র পাচ্ছে মাত্র ৩২ হাজার রোহিঙ্গা

Wednesday, December 28, 2016 10:38 pm
165111_1

মায়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৩ জনের মধ্যে মাত্র ৩২ হাজার ১৬ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন আইডেন্টি কার্ড দেয়া হচ্ছে।

যে সব রোহিঙ্গা মুসলমান তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে শুধু মাত্র তারাই আইডেন্টি কার্ড পাচ্ছে। আর এ ধরনের কার্ড যাচাই বাছাই করে দিচ্ছে স্টেট কাউন্সিলর অফিস। যেটির প্রধান স্টেট অব দি কাউন্সিলর অং সাং সুচি।

১৯৮২ সালে মায়ানমার সিটিজেন ‘ল’ অনুসারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের দেশটির নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করা হয়। এরপর এ আইনের আওতায় তাদের অস্থায়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এই সার্টিফিকেট জমা দিতে বলা হয় এবং তাদের মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে আইডেন্টি কার্ড দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়।

কিন্তু ইতিমধ্যে বছরের পর বছর ধরে বেশ কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত থাকায় তারা বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত,সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়েছে।

শুধু বাংলাদেশেই প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম মায়ানমার থেকে আশ্রয় নিলেও দীর্ঘদিন ধরে এদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করছে দেশটি।

মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অফিস বলছে, ‘রাখাইনে ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭২ জনকে অস্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছিল। দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবছরের পহেলা জুন অস্থায়ী পরিচয় পত্রের বদলে পরিচয় পত্র দেয়া শুরু করে’।

এদিকে মায়ানমারে ওআইসি’র বিশেষ দূত সাইয়েদ হামিদ আলবার মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এধরনের রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার পর তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে ওআইসি কোনো চাপ প্রয়োগ বা ব্যবস্থা নেবে কি না সে সম্পর্কে বিশেষ দূত কিছু জানাননি।

তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের রেজিস্ট্রেশন রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্যে দেশটিতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষা সুযোগ সৃষ্টি করবে।

কুয়ালালামপুরে ওআইসির বিশেষ দূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতিসংঘের শরণার্থী পরিচয়পত্রের ওপর মালয়েশিয়ার বেশি দিন বিবেচনা করা উচিত নয় বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিশেষ রেজিষ্ট্রেশন করা জরুরি’।

সূত্র: মিজিমা ডট কম

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X