শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৩০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 5, 2016 9:33 am
A- A A+ Print

৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে সিলেট হাইটেক পার্কে

152289_1

ঢাকা: প্রায় ১শ’ ৩৪ কোটি ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬ টাকা ব্যয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দেশের দ্বিতীয় হাইটেক পার্ক নির্মিত হচ্ছে।   ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ সাংবাদিকদের জানান, এখানে প্রায় ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রকল্প এলাকার চারপাশে মাটি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ, মাটি দিয়ে সাইটের উন্নয়ন ও বাঁধের ঢাল রক্ষায় ব্লক নির্মাণ কাজ চলছে। হাইটেক পার্ক সিলেট প্রকল্পটি রাস্তা থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে। তাই আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা পেতে পার্কের ভূমি উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। সরকারের রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১শ’ ৬২ দশমিক ৮৩ একর জমির ওপর এই পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর, অ্যাপ্রোচ রোড, প্রশাসনিক ভবন, বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন এবং ফাইবার অপটিক সংযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। মেগা সিটি গড়তে ওই প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যে আরও ৬শ' একর জায়গা বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সিটির আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের আগ থেকেই ইলেকট্রিক সিটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে উৎপাদন করা হবে বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও যন্ত্রাংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও নির্মাণ করা হবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আইসিটি পার্ক ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স প্লান্ট। সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৬ সালের জুলাই পর্যন্ত। কিন্তু এরমধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না। দেরিতে কাজ শুরু হওয়ায় এখন কেবলমাত্র মাটি ভরাট চলছে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণও বাড়তে পারে। সূত্র: বাসস
 

Comments

Comments!

 ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে সিলেট হাইটেক পার্কেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে সিলেট হাইটেক পার্কে

Monday, September 5, 2016 9:33 am
152289_1

ঢাকা: প্রায় ১শ’ ৩৪ কোটি ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬ টাকা ব্যয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দেশের দ্বিতীয় হাইটেক পার্ক নির্মিত হচ্ছে।

 

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ সাংবাদিকদের জানান, এখানে প্রায় ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

প্রকল্প এলাকার চারপাশে মাটি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ, মাটি দিয়ে সাইটের উন্নয়ন ও বাঁধের ঢাল রক্ষায় ব্লক নির্মাণ কাজ চলছে। হাইটেক পার্ক সিলেট প্রকল্পটি রাস্তা থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে। তাই আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা পেতে পার্কের ভূমি উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে।

সরকারের রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১শ’ ৬২ দশমিক ৮৩ একর জমির ওপর এই পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর, অ্যাপ্রোচ রোড, প্রশাসনিক ভবন, বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন এবং ফাইবার অপটিক সংযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

মেগা সিটি গড়তে ওই প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যে আরও ৬শ’ একর জায়গা বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সিটির আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের আগ থেকেই ইলেকট্রিক সিটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

এতে উৎপাদন করা হবে বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও যন্ত্রাংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও নির্মাণ করা হবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আইসিটি পার্ক ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স প্লান্ট।

সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৬ সালের জুলাই পর্যন্ত। কিন্তু এরমধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না। দেরিতে কাজ শুরু হওয়ায় এখন কেবলমাত্র মাটি ভরাট চলছে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণও বাড়তে পারে।

সূত্র: বাসস

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X