শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:২২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 13, 2017 12:51 am
A- A A+ Print

৫৭ ধারা মানবাধিকারবিরোধী নয়: তথ্যমন্ত্রী

enu_51963_1499876818

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এটা কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। এটা মানবাধিকারবিরোধী নয়। বুধবার জাতীয় সংসদে পীর ফজলুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শুধুমাত্র সাংবাদিকদের জন্য করা হয়নি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটা সাধারণ দণ্ডবিধি। এ ধারাটি মানুষের নিরাপত্তার জন্য করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তার জন্য, শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ধারাটি করা হয়েছে। এটা জামিন অযোগ্য অপরাধ। তবে উচ্চ আদালতে গেলে জামিন পাওয়া যায়। এ ধারাটি তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইনু বলেন, ডিজিটাইলেজশনের ফলে গণমাধ্যমের বিশাল প্রসার ঘটেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ডিজিটাল স্পেস তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনেকে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়, চরিত্র হনন করে, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির মতো অপরাধ করে। তখনই কেবল এই আইনের প্রয়োগ হয়। এটা শুধু সাংবাদিকদের জন্য করা হয়েছে এ কথাটি ঠিক নয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক, টুইটারে চরিত্র হনন করে পোস্ট দিলে এই আইনের আওতায় আসবে। এই আইন নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই আইনে একটা পর্যায়ে জামিনযোগ্য। নিম্ন আদালতে জামিন পায় না, উচ্চ আদালতে গেলে জামিন পাওয়া যায়। এরকম ৩০ এর অধিক আইন আছে জামিন অযোগ্য। কিন্তু উচ্চ আদালতে গেলে বিচারকরা মনে করলে জামিন দিতে পারেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে ১ হাজার ৮শ' এর অধিক অনলাইন পত্রিকা আছে। পত্রিকা, টেলিভিশন, সাপ্তাহিক, পাক্ষিকসহ দেশে কতগুলো গণমাধ্যম রয়েছে। প্রতিটি গণমাধ্যমে যদি ১০ জন করে সাংবাদিকও কাজ করেন তাহলে কত হাজার সাংবাদিক কাজ করছে তা অনুমেয়। এর মধ্যে খুবই নগণ্য দুই একজন ৫৭ ধারায় গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি বলেন, তাছাড়া ৫৭ ধারার মামলার প্রতিটি বিষয় আমরা দেখছি। এ নিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও হস্তক্ষেপ করে। আমাদের আইনজীবীরা দেখেন কোনো মিথ্যা অভিযোগে কেউ গ্রেফতার হলে তাকে যেন জামিন দেয়া হয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৫৭ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। তারপরেও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক নতুন একটি আইনের খসড়া করা হয়েছে। আমাদের আইনমন্ত্রী দেখবেন ৫৭ ধারা বহাল রাখার দরকার আছে কিনা।

Comments

Comments!

 ৫৭ ধারা মানবাধিকারবিরোধী নয়: তথ্যমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৫৭ ধারা মানবাধিকারবিরোধী নয়: তথ্যমন্ত্রী

Thursday, July 13, 2017 12:51 am
enu_51963_1499876818

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এটা কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। এটা মানবাধিকারবিরোধী নয়।

বুধবার জাতীয় সংসদে পীর ফজলুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শুধুমাত্র সাংবাদিকদের জন্য করা হয়নি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটা সাধারণ দণ্ডবিধি। এ ধারাটি মানুষের নিরাপত্তার জন্য করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তার জন্য, শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ধারাটি করা হয়েছে। এটা জামিন অযোগ্য অপরাধ। তবে উচ্চ আদালতে গেলে জামিন পাওয়া যায়।
এ ধারাটি তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইনু বলেন, ডিজিটাইলেজশনের ফলে গণমাধ্যমের বিশাল প্রসার ঘটেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ডিজিটাল স্পেস তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনেকে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়, চরিত্র হনন করে, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির মতো অপরাধ করে। তখনই কেবল এই আইনের প্রয়োগ হয়। এটা শুধু সাংবাদিকদের জন্য করা হয়েছে এ কথাটি ঠিক নয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক, টুইটারে চরিত্র হনন করে পোস্ট দিলে এই আইনের আওতায় আসবে। এই আইন নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই আইনে একটা পর্যায়ে জামিনযোগ্য। নিম্ন আদালতে জামিন পায় না, উচ্চ আদালতে গেলে জামিন পাওয়া যায়। এরকম ৩০ এর অধিক আইন আছে জামিন অযোগ্য। কিন্তু উচ্চ আদালতে গেলে বিচারকরা মনে করলে জামিন দিতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে ১ হাজার ৮শ’ এর অধিক অনলাইন পত্রিকা আছে। পত্রিকা, টেলিভিশন, সাপ্তাহিক, পাক্ষিকসহ দেশে কতগুলো গণমাধ্যম রয়েছে। প্রতিটি গণমাধ্যমে যদি ১০ জন করে সাংবাদিকও কাজ করেন তাহলে কত হাজার সাংবাদিক কাজ করছে তা অনুমেয়। এর মধ্যে খুবই নগণ্য দুই একজন ৫৭ ধারায় গ্রেফতার হয়েছেন।

তিনি বলেন, তাছাড়া ৫৭ ধারার মামলার প্রতিটি বিষয় আমরা দেখছি। এ নিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও হস্তক্ষেপ করে। আমাদের আইনজীবীরা দেখেন কোনো মিথ্যা অভিযোগে কেউ গ্রেফতার হলে তাকে যেন জামিন দেয়া হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৫৭ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। তারপরেও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক নতুন একটি আইনের খসড়া করা হয়েছে। আমাদের আইনমন্ত্রী দেখবেন ৫৭ ধারা বহাল রাখার দরকার আছে কিনা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X