শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 30, 2016 12:29 am
A- A A+ Print

৫ জানুয়ারিকে ঘিরে রাজনীতিতে ফের অশনি সংকেত, বিএনপি-আ.লীগ মুখোমুখি অবস্থানে

165165_1

‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে ৫ জানুয়ারিতে ঢাকায় দুটি সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। একই দিন ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে সারাদেশে কালো পতাকা উত্তোলন ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে দেশের প্রধান বিরেধী দল বিএনপি। ফলে ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে ফের রাজনীতিতে অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে। দুটি প্রধান দল পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় আবারো দেশে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন অনেকে। আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে এ সমাবেশ করবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে তাদের এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে এক যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে ৫ জানুয়ারি ঢাকায় সমাবেশের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আয়োজনে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ারে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’  উপলক্ষে সমাবেশ দুটি অনুষ্ঠিত হবে’। এ সময় তিনি একই সঙ্গে দেশের সব জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান। এদিকে, রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করার জন্য ৫ জানুয়ারি সারা দেশে কালো পতাকা উত্তোলন এবং ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার করার কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। সমাবেশের অনুমতির জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি দেয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত একতরফা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী নির্বাচিত হন। আওয়ামী মহাজোটের ১৫৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার পর ঐদিন মাত্র ১৪৩টি আসনের বিপরীতে নামমাত্র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি জেপি (মঞ্জু), জাসদ (ইনু) এবং ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীরাই ছিলেন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত। ফলে বিরোধীদের দৃষ্টিতে ৫ জানুয়ারির প্রহসনের ভোটে অর্ধেকেরও বেশি আসনে নজিরবিহীন নির্বাচিত হয়ে নিজেদেরই হাসির পাত্রে পরিণত করেছে আওয়ামী লীগ। তাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কের দিন তথা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা। অন্যদিকে এদিনকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা। আর এ দিন পালন উপলক্ষে গেল ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে দুই শক্তির পরস্পর বিরোধী অবস্থানের কারণে বেশ কয়েকদিন দেশ অচল হয়ে পড়েছিল। যদিও ২০১৬ সালে এমনটি লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে ফের রাজনীতিতে অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে। দুটি প্রধান দল পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় আবারো দেশে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আবার অনেকে বলছেন, দুই শক্তিই রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জানান দিতেই এমন কর্মসূচি নিয়ে থাকতে পারে।
 

Comments

Comments!

 ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে রাজনীতিতে ফের অশনি সংকেত, বিএনপি-আ.লীগ মুখোমুখি অবস্থানেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৫ জানুয়ারিকে ঘিরে রাজনীতিতে ফের অশনি সংকেত, বিএনপি-আ.লীগ মুখোমুখি অবস্থানে

Friday, December 30, 2016 12:29 am
165165_1

‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে ৫ জানুয়ারিতে ঢাকায় দুটি সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। একই দিন ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে সারাদেশে কালো পতাকা উত্তোলন ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে দেশের প্রধান বিরেধী দল বিএনপি। ফলে ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে ফের রাজনীতিতে অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে। দুটি প্রধান দল পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় আবারো দেশে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন অনেকে।

আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে এ সমাবেশ করবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে তাদের এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে এক যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে ৫ জানুয়ারি ঢাকায় সমাবেশের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আয়োজনে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ারে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’  উপলক্ষে সমাবেশ দুটি অনুষ্ঠিত হবে’।

এ সময় তিনি একই সঙ্গে দেশের সব জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

এদিকে, রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করার জন্য ৫ জানুয়ারি সারা দেশে কালো পতাকা উত্তোলন এবং ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার করার কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।

সমাবেশের অনুমতির জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি দেয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত একতরফা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী নির্বাচিত হন। আওয়ামী মহাজোটের ১৫৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার পর ঐদিন মাত্র ১৪৩টি আসনের বিপরীতে নামমাত্র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি জেপি (মঞ্জু), জাসদ (ইনু) এবং ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীরাই ছিলেন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত।

ফলে বিরোধীদের দৃষ্টিতে ৫ জানুয়ারির প্রহসনের ভোটে অর্ধেকেরও বেশি আসনে নজিরবিহীন নির্বাচিত হয়ে নিজেদেরই হাসির পাত্রে পরিণত করেছে আওয়ামী লীগ। তাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কের দিন তথা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা। অন্যদিকে এদিনকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা।

আর এ দিন পালন উপলক্ষে গেল ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে দুই শক্তির পরস্পর বিরোধী অবস্থানের কারণে বেশ কয়েকদিন দেশ অচল হয়ে পড়েছিল। যদিও ২০১৬ সালে এমনটি লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে ফের রাজনীতিতে অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে। দুটি প্রধান দল পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় আবারো দেশে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আবার অনেকে বলছেন, দুই শক্তিই রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জানান দিতেই এমন কর্মসূচি নিয়ে থাকতে পারে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X