সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, January 6, 2017 12:21 am
A- A A+ Print

৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক: ফখরুল

45

ঢাকা: ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার বিএনপিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। কিন্তু বিএনপি সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিএনপি ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ৭ জানুয়ারি বিএনপির ডাকা সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা শেষে ওই ব্রিফিং আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কালো পতাকা মিছিল বানচাল করা হয়েছে। একদিনে পুলিশ, অন্যদিকে সরকারদলীয় বাহিনী দিয়ে কর্মসূচি বানচাল করেছে। আগে থেকেই আওয়ামী লীগ হুমকি দিয়েছিল বিএনপিকে মাঠে নামতে দেয়া হবে না।’ সরকার বিএনপিকে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ফেলতে চায়-অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রজন্ম লীগ নামের একটি সংগঠনের কিছু লোকজন এসে বিএনপির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং একজন কর্মীকে মারধর করে। পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এসব আওয়ামী লীগের উসকানি।’ বর্তমান সরকারকে অনৈতিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সংসদের আইন প্রণয়ন ও দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার নেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক। তখন থেকে ফ্যাসিবাদী সরকার প্রবর্তিত হয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন।’ মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকার বিএনপিকে দোষারোপ করে প্রকৃত জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের সরকারদলীয় সাংসদ হত্যার পর প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি এই ঘটনার প্রকৃত তদন্ত দাবি করেন। এছাড়াও, ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে সরকার অনুমতি দেবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।
 

Comments

Comments!

 ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক: ফখরুলAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক: ফখরুল

Friday, January 6, 2017 12:21 am
45

ঢাকা: ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার বিএনপিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। কিন্তু বিএনপি সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিএনপি ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী।

বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

৭ জানুয়ারি বিএনপির ডাকা সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা শেষে ওই ব্রিফিং আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কালো পতাকা মিছিল বানচাল করা হয়েছে। একদিনে পুলিশ, অন্যদিকে সরকারদলীয় বাহিনী দিয়ে কর্মসূচি বানচাল করেছে। আগে থেকেই আওয়ামী লীগ হুমকি দিয়েছিল বিএনপিকে মাঠে নামতে দেয়া হবে না।’

সরকার বিএনপিকে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ফেলতে চায়-অভিযোগ করে

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রজন্ম লীগ নামের একটি সংগঠনের কিছু লোকজন এসে বিএনপির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং একজন কর্মীকে মারধর করে। পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এসব আওয়ামী লীগের উসকানি।’

বর্তমান সরকারকে অনৈতিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সংসদের আইন প্রণয়ন ও দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার নেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক। তখন থেকে ফ্যাসিবাদী সরকার প্রবর্তিত হয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন।’

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকার বিএনপিকে দোষারোপ করে প্রকৃত জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের সরকারদলীয় সাংসদ হত্যার পর প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি এই ঘটনার প্রকৃত তদন্ত দাবি করেন।

এছাড়াও, ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে সরকার অনুমতি দেবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X