শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, November 20, 2016 8:15 pm
A- A A+ Print

৬১ জেলায় চেয়ারম্যান হতে চান ৭০১ আ.লীগ নেতা

3a0700b269d522b0e8eda4a6227e6f90-lg

জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অংশ না নেওয়ার কথা বললেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের নিজ দলের প্রার্থীদের সঙ্গে লড়তে হতে পারে। কাগজে-কলমে ‘নিরপেক্ষ’ এই নির্বাচনের প্রতিটি জেলায় থাকছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, বেশির ভাগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিই আওয়ামী লীগ সমর্থিত। জেলা পরিষদ নির্বাচনে গত ১৮ নভেম্বরের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে ইচ্ছুকদের আবেদন পাঠাতে বলে আওয়ামী লীগ। এ পর্যন্ত কতজন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে আবেদন করছেন জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মোট ৭০১ জন আবেদন করেছেন।’ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দুটি সূত্র জানায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আধিক্য থাকার কারণে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রার্থীরাই বিজয়ী হচ্ছেন। তাই যিনি আওয়ামী লীগের সমর্থন পাবেন, তিনিই হবেন চেয়ারম্যান। এ কারণে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেতে আবেদন করেছেন বর্তমান জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, থানার সভাপতি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, এমনকি জেলা এবং থানার সদস্যরাও। ফলে তাদের মধ্যে থেকে একক প্রার্থী দেওয়া দলটির জন্য কষ্টসাধ্য। জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘নির্দলীয় নির্বাচন হওয়ায় যে কেউ জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগ সৎ, যোগ্য ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থন দেবে।’ আওয়ামী লীগের দুজন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরাই বিজয়ী হবে, এটা নিশ্চিত। ‘নির্দলীয়’ হলেও দলীয় শৃঙ্খলা আনতেই আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট একজনকে সমর্থন দেবে। এমনকি জেলা পরিষদের সদস্য এবং সংরক্ষিত সদস্যদেরও দলীয়ভাবে ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে প্রার্থীর সংখ্যা একাধিক হওয়ায় একক প্রার্থী নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তাঁদের ধারণা। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রথম আলোকে বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করতে এখনো দু-তিনটি বৈঠক করতে হবে। এখন পর্যন্ত একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আওয়ামী লীগের আরেক জন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দলীয় সমর্থন দেওয়া হচ্ছে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানোর জন্য। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আর ৬১ জেলায়ও একাধিক প্রার্থী দলীয় সমর্থন চেয়েছেন। ফলে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা নাও যেতে পারে। তিন পার্বত্য জেলা বাদে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ৬১টি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আইন অনুযায়ী, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। ভোট দেবেন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধি বা নির্বাচকমণ্ডলী। এঁদের ভোটে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও সংরক্ষিত পাঁচজন নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন। অর্থাৎ অরাজনৈতিক এই নির্বাচনের বেশির ভাগ ভোটারই রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

Comments

Comments!

 ৬১ জেলায় চেয়ারম্যান হতে চান ৭০১ আ.লীগ নেতাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৬১ জেলায় চেয়ারম্যান হতে চান ৭০১ আ.লীগ নেতা

Sunday, November 20, 2016 8:15 pm
3a0700b269d522b0e8eda4a6227e6f90-lg

জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অংশ না নেওয়ার কথা বললেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের নিজ দলের প্রার্থীদের সঙ্গে লড়তে হতে পারে। কাগজে-কলমে ‘নিরপেক্ষ’ এই নির্বাচনের প্রতিটি জেলায় থাকছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, বেশির ভাগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিই আওয়ামী লীগ সমর্থিত।
জেলা পরিষদ নির্বাচনে গত ১৮ নভেম্বরের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে ইচ্ছুকদের আবেদন পাঠাতে বলে আওয়ামী লীগ। এ পর্যন্ত কতজন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে আবেদন করছেন জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মোট ৭০১ জন আবেদন করেছেন।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দুটি সূত্র জানায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আধিক্য থাকার কারণে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রার্থীরাই বিজয়ী হচ্ছেন। তাই যিনি আওয়ামী লীগের সমর্থন পাবেন, তিনিই হবেন চেয়ারম্যান। এ কারণে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেতে আবেদন করেছেন বর্তমান জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, থানার সভাপতি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, এমনকি জেলা এবং থানার সদস্যরাও। ফলে তাদের মধ্যে থেকে একক প্রার্থী দেওয়া দলটির জন্য কষ্টসাধ্য।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘নির্দলীয় নির্বাচন হওয়ায় যে কেউ জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগ সৎ, যোগ্য ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থন দেবে।’

আওয়ামী লীগের দুজন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরাই বিজয়ী হবে, এটা নিশ্চিত। ‘নির্দলীয়’ হলেও দলীয় শৃঙ্খলা আনতেই আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট একজনকে সমর্থন দেবে। এমনকি জেলা পরিষদের সদস্য এবং সংরক্ষিত সদস্যদেরও দলীয়ভাবে ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে প্রার্থীর সংখ্যা একাধিক হওয়ায় একক প্রার্থী নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তাঁদের ধারণা।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রথম আলোকে বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করতে এখনো দু-তিনটি বৈঠক করতে হবে। এখন পর্যন্ত একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আওয়ামী লীগের আরেক জন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দলীয় সমর্থন দেওয়া হচ্ছে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানোর জন্য। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আর ৬১ জেলায়ও একাধিক প্রার্থী দলীয় সমর্থন চেয়েছেন। ফলে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা নাও যেতে পারে।

তিন পার্বত্য জেলা বাদে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ৬১টি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আইন অনুযায়ী, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। ভোট দেবেন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধি বা নির্বাচকমণ্ডলী। এঁদের ভোটে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও সংরক্ষিত পাঁচজন নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন। অর্থাৎ অরাজনৈতিক এই নির্বাচনের বেশির ভাগ ভোটারই রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X