মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, January 20, 2017 11:14 pm
A- A A+ Print

৬৩ বলে ২ করে রেকর্ডে কামরুলও!

২৩

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের নাকি মূল সমস্যা—ধৈর্যের অভাব। আজও শুরুর দিকে একপর্যায়ে ওভারে ৫ করে রান তুলছিল বাংলাদেশ। ভাষ্যকারদের কণ্ঠে ছিল বিস্ময়। বল ছাড়তে পারা কিংবা ঠেকানোও যে টেস্ট ক্রিকেটের একটা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। আজ কামরুল ইসলাম যেন সব ‘অপবাদ’ ঘুচিয়ে দেওয়ার পণ করলেন। দশ নম্বরে ব্যাট করেও ইনিংসে চতুর্থ সর্বোচ্চ বল খেলেছেন—যে উইকেটে টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানদেরও ঘাম ঝরেছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।২৩ শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ২ রান করার এই ইনিংসটা কামরুল মনে রাখুন আর না-ই রাখুন, ক্রিকেট রেকর্ডে কিন্তু ঠিকই উঠে গেল। টেস্টে ৬০ কিংবা এর বেশি বল খেলে এর চেয়ে কম রান করেছেন মাত্র দুজন। ১৯৯৯ সালে অকল্যান্ড টেস্টে জিওফ অ্যালট ৭৭ বল খেলে ০ রানে আউট হয়েছিলেন। অ্যালট হয়তো রান করেননি, কিন্তু ফলোঅনের শঙ্কায় পড়া ​নিউজিল্যান্ডকে শেষ জুটিতে ৩২ রান এনে দিয়ে​ছিল তাঁর এই দৃঢ়তা। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেও ১০১ মিনিট পার করে দিয়েছিলেন—এও কি কম কৃতিত্বের! নিউজিল্যান্ড সেবার ফলোঅনে পড়েও ম্যাচটা ড্র করতে পেরেছিল। ১৯৬৮ সালে গায়ানা টেস্টে ইংল্যান্ডের জন স্নোকেও নিতে হয়েছিল একই ভূমিকা। তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ বলে খেলা ১ রানের ইনিংসটা বড় ভূমিকা রেখেছিল নাটকীয় ড্র হওয়া টেস্টটায়। জয়ের জন্য মাত্র একটা উইকেটই দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। কামরুল ইসলামএই দুজনের পরেই চলে গেলেন কামরুল, যদিও তাঁর এই ইনিংসের অবদান ম্যাচে কী ফল রাখছে, সেটা বলার উপায় নেই এখনই। অ্যালট, স্নো, কামরুল তিনজনই আউট হয়েছেন। তবে কলিন ক্রফট ৭৩ বল খেলে একবার ২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯৭৯ সালের ব্রিজবেন টেস্টে। মাত্র ২ রান করলেও সেবার শেষ উইকেটে জোয়েল গার্নারের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়েছিলেন। রান না করলেও বল পার করে দেওয়ার এই তো মাহাত্ম্য। টেস্টে সবচেয়ে বেশি বল খেলে সবচেয়ে কম রান করার ‘কৃতিত্ব’ কার? এমন তো রেকর্ড রাখা হয় না। তবে টেস্টের কোনো ইনিংসে কমপক্ষে ১০০ বল খেলেও এক অঙ্কে রান করেছেন মাত্র তিনজন। এঁদের মধ্যে জন মারে সর্বাগ্রে। ১৯৬২-৬৩-র অ্যাশেজে সিডনিতে ইংলিশ উইকেটকিপার ১০০ বল খেলে করেছিলেন ৩ রান। এক সময় কিপারদের যে শুধু উইকেটকিপিংটা ভালোমতো জানলেই হতো, এই পরিসংখ্যান তারও সাক্ষী।

Comments

Comments!

 ৬৩ বলে ২ করে রেকর্ডে কামরুলও!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৬৩ বলে ২ করে রেকর্ডে কামরুলও!

Friday, January 20, 2017 11:14 pm
২৩

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের নাকি মূল সমস্যা—ধৈর্যের অভাব। আজও শুরুর দিকে একপর্যায়ে ওভারে ৫ করে রান তুলছিল বাংলাদেশ। ভাষ্যকারদের কণ্ঠে ছিল বিস্ময়। বল ছাড়তে পারা কিংবা ঠেকানোও যে টেস্ট ক্রিকেটের একটা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। আজ কামরুল ইসলাম যেন সব ‘অপবাদ’ ঘুচিয়ে দেওয়ার পণ করলেন। দশ নম্বরে ব্যাট করেও ইনিংসে চতুর্থ সর্বোচ্চ বল খেলেছেন—যে উইকেটে টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানদেরও ঘাম ঝরেছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।২৩
শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ২ রান করার এই ইনিংসটা কামরুল মনে রাখুন আর না-ই রাখুন, ক্রিকেট রেকর্ডে কিন্তু ঠিকই উঠে গেল। টেস্টে ৬০ কিংবা এর বেশি বল খেলে এর চেয়ে কম রান করেছেন মাত্র দুজন।
১৯৯৯ সালে অকল্যান্ড টেস্টে জিওফ অ্যালট ৭৭ বল খেলে ০ রানে আউট হয়েছিলেন। অ্যালট হয়তো রান করেননি, কিন্তু ফলোঅনের শঙ্কায় পড়া ​নিউজিল্যান্ডকে শেষ জুটিতে ৩২ রান এনে দিয়ে​ছিল তাঁর এই দৃঢ়তা। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেও ১০১ মিনিট পার করে দিয়েছিলেন—এও কি কম কৃতিত্বের! নিউজিল্যান্ড সেবার ফলোঅনে পড়েও ম্যাচটা ড্র করতে পেরেছিল।
১৯৬৮ সালে গায়ানা টেস্টে ইংল্যান্ডের জন স্নোকেও নিতে হয়েছিল একই ভূমিকা। তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ বলে খেলা ১ রানের ইনিংসটা বড় ভূমিকা রেখেছিল নাটকীয় ড্র হওয়া টেস্টটায়। জয়ের জন্য মাত্র একটা উইকেটই দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
কামরুল ইসলামএই দুজনের পরেই চলে গেলেন কামরুল, যদিও তাঁর এই ইনিংসের অবদান ম্যাচে কী ফল রাখছে, সেটা বলার উপায় নেই এখনই। অ্যালট, স্নো, কামরুল তিনজনই আউট হয়েছেন। তবে কলিন ক্রফট ৭৩ বল খেলে একবার ২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯৭৯ সালের ব্রিজবেন টেস্টে। মাত্র ২ রান করলেও সেবার শেষ উইকেটে জোয়েল গার্নারের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়েছিলেন। রান না করলেও বল পার করে দেওয়ার এই তো মাহাত্ম্য।
টেস্টে সবচেয়ে বেশি বল খেলে সবচেয়ে কম রান করার ‘কৃতিত্ব’ কার? এমন তো রেকর্ড রাখা হয় না। তবে টেস্টের কোনো ইনিংসে কমপক্ষে ১০০ বল খেলেও এক অঙ্কে রান করেছেন মাত্র তিনজন। এঁদের মধ্যে জন মারে সর্বাগ্রে। ১৯৬২-৬৩-র অ্যাশেজে সিডনিতে ইংলিশ উইকেটকিপার ১০০ বল খেলে করেছিলেন ৩ রান।
এক সময় কিপারদের যে শুধু উইকেটকিপিংটা ভালোমতো জানলেই হতো, এই পরিসংখ্যান তারও সাক্ষী।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X