সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 25, 2016 5:15 pm
A- A A+ Print

৭৩৫ কুকুরের ‘বাবা’ যে প্রকৌশলী!

98db7ed3ce6331b6251d29f31f251a36-_92945569_bbc-vsd-59

রাকেশ শুক্লা পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী। তিনি ভারতের দিল্লি, যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে থিতু হয়েছেন নিজের দেশের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। তবে পেশাগত জীবনের কারণে তিনি খবরের শিরোনাম হননি। খবরে এসেছেন ৭৩৫ কুকুরের জন্য নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলে। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর কাছে সাড়ে তিন একরের একটি খামারবাড়ি বানিয়েছেন রাকেশ শুক্লা। ওই বাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে দেখা মেলে বিভিন্ন জাতের কুকুরের। এখানে দেশি, বিদেশি, আহত, অঙ্গহানি হওয়া কুকুর আছে ৭৩৫টি। এই প্রকৌশলী পরম মমতায় এদের দেখভাল করেন। নিজেকে পরিচয় দেন এদের ‘বাবা’ হিসেবে আর সে হিসেবে এরা তাঁর সন্তান। কুকুরের প্রতি ভালোবাসা কীভাবে তৈরি হলো-সে গল্প করতে গিয়ে রাকেশ বলেন, জীবন মানে সচ্ছল জীবনযাপন করা, দামি গাড়ি কেনা ও জিনিস কেনা না; জীবন মানে আরও অনেক কিছু। বিষয়টা তিনি বুঝতে পারেন ২০০৯ সালের জুনে যখন কাব্য নামের একটি কুকুর তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর জীবনে আসে। কুকুরটি তাদের সঙ্গে দুষ্টুমিতে মেতে মন জয় করে নেয়। কুকুরের জন্য রাকেশ দম্পতির অন্য রকমের ভালোবাসা তৈরি হয়। কাব্যের পর তাঁরা আরেকটি কুকুর রাস্তা থেকে এনে লাকি নাম দিয়ে পোষতে থাকেন। এভাবে করে কখনো কিনে, কখনো রাস্তা থেকে কুড়িয়ে, আবার কখনো উপহার পেয়ে কুকুরের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তখন তাঁরা কুকুরের জন্য আলাদা খামার বাড়ি করেন। সেই খামার বাড়ির ৭৩৫টি কুকুরের দেখভালের জন্য আছেন ১০ জন কর্মী। সব মিলিয়ে এই খামারের পেছনে প্রতিদিন তাঁর খরচ হয় ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। কুকুরপ্রীতির জন্য কম ভোগান্তি পোহাতে হয়নি রাকেশ শুক্লাকে। প্রতিবেশীরা এত বেশি কুকুর পোষার জন্য তাঁর নামে থানায় অভিযোগ করেছে। প্রাণী অধিকার কর্মীরা ওই খামারে আসলে কী হয়, তা দেখার সুযোগ দাবি করেন। আবার কেউ কেউ চিরদিনের মতো তাঁর খামারটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্র তিনি নন। বললেন, ‘জীবনে কুকুরের সঙ্গে সন্ধি করেছি। এ বন্ধন ছিন্ন হওয়ার নয়।’

Comments

Comments!

 ৭৩৫ কুকুরের ‘বাবা’ যে প্রকৌশলী!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৭৩৫ কুকুরের ‘বাবা’ যে প্রকৌশলী!

Sunday, December 25, 2016 5:15 pm
98db7ed3ce6331b6251d29f31f251a36-_92945569_bbc-vsd-59

রাকেশ শুক্লা পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী। তিনি ভারতের দিল্লি, যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে থিতু হয়েছেন নিজের দেশের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। তবে পেশাগত জীবনের কারণে তিনি খবরের শিরোনাম হননি। খবরে এসেছেন ৭৩৫ কুকুরের জন্য নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলে।

বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর কাছে সাড়ে তিন একরের একটি খামারবাড়ি বানিয়েছেন রাকেশ শুক্লা। ওই বাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে দেখা মেলে বিভিন্ন জাতের কুকুরের। এখানে দেশি, বিদেশি, আহত, অঙ্গহানি হওয়া কুকুর আছে ৭৩৫টি। এই প্রকৌশলী পরম মমতায় এদের দেখভাল করেন। নিজেকে পরিচয় দেন এদের ‘বাবা’ হিসেবে আর সে হিসেবে এরা তাঁর সন্তান।

কুকুরের প্রতি ভালোবাসা কীভাবে তৈরি হলো-সে গল্প করতে গিয়ে রাকেশ বলেন, জীবন মানে সচ্ছল জীবনযাপন করা, দামি গাড়ি কেনা ও জিনিস কেনা না; জীবন মানে আরও অনেক কিছু। বিষয়টা তিনি বুঝতে পারেন ২০০৯ সালের জুনে যখন কাব্য নামের একটি কুকুর তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর জীবনে আসে। কুকুরটি তাদের সঙ্গে দুষ্টুমিতে মেতে মন জয় করে নেয়। কুকুরের জন্য রাকেশ দম্পতির অন্য রকমের ভালোবাসা তৈরি হয়। কাব্যের পর তাঁরা আরেকটি কুকুর রাস্তা থেকে এনে লাকি নাম দিয়ে পোষতে থাকেন। এভাবে করে কখনো কিনে, কখনো রাস্তা থেকে কুড়িয়ে, আবার কখনো উপহার পেয়ে কুকুরের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তখন তাঁরা কুকুরের জন্য আলাদা খামার বাড়ি করেন। সেই খামার বাড়ির ৭৩৫টি কুকুরের দেখভালের জন্য আছেন ১০ জন কর্মী। সব মিলিয়ে এই খামারের পেছনে প্রতিদিন তাঁর খরচ হয় ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।

কুকুরপ্রীতির জন্য কম ভোগান্তি পোহাতে হয়নি রাকেশ শুক্লাকে। প্রতিবেশীরা এত বেশি কুকুর পোষার জন্য তাঁর নামে থানায় অভিযোগ করেছে। প্রাণী অধিকার কর্মীরা ওই খামারে আসলে কী হয়, তা দেখার সুযোগ দাবি করেন। আবার কেউ কেউ চিরদিনের মতো তাঁর খামারটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্র তিনি নন। বললেন, ‘জীবনে কুকুরের সঙ্গে সন্ধি করেছি। এ বন্ধন ছিন্ন হওয়ার নয়।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X