শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 28, 2016 6:29 pm
A- A A+ Print

৯৪ সালের পর এমন ভয়াবহ বন্যা আর দেখেননি তারা

160728082718_bbc_640x360_mahfuzurrahman

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।  কয়েক লক্ষ লোক পানি বন্দী হয়ে আছে উত্তরের অন্তত সাতটি জেলায়। আক্রান্তরা এটিকে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা বলছেন । কুড়িগ্রাম জেলায় শহররক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে পড়ে নয়টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। সেখানকার একজন বাসিন্দা আব্দুল সবুর বলছিলেন “চুরানব্বই সালের পর এমন বন্যা আর দেখি নি, সব পানিতে ভাইসা গেছে”। বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়। তবে কুড়িগ্রামের স্থানীয় মানুষ বলছেন ৯৮ সালে বন্যা হলেও তাদের জেলায় ১৯৯৪ সালের বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। স্থানীয় সাংবাদিক শফি খান জানাচ্ছিলেন কুড়িগ্রামের ছয় লক্ষ লোক এখন পানি বন্দী পড়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় দুইশ স্কুল বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে বন্যা কবলিত আরেক জেলা জামালপুর। জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১১৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যেটা ১৯৮৮ সালের বন্যায় ছিল ১২৫ সে.মি.। অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের পর এবছরই এমন বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি।
জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো.আলমগির বলছিলেন দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুরের অবস্থা বেশি খারাপ। তিনি বলছিলেন পানি বন্দী ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের কাজ চলছে। তবে স্থানীয় সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান বলছিলেন এই সংখ্যা আড়াই লক্ষের কম নয়। এছাড়া গাইবান্ধা,বগুড়া, সিরাজগঞ্জ,টাঙ্গাইল এবং নেত্রকোনাকে বন্যা কবলিত এলাকা বলে চিহ্নিত করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

Comments

Comments!

 ৯৪ সালের পর এমন ভয়াবহ বন্যা আর দেখেননি তারাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

৯৪ সালের পর এমন ভয়াবহ বন্যা আর দেখেননি তারা

Thursday, July 28, 2016 6:29 pm
160728082718_bbc_640x360_mahfuzurrahman

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।  কয়েক লক্ষ লোক পানি বন্দী হয়ে আছে উত্তরের অন্তত সাতটি জেলায়। আক্রান্তরা এটিকে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা বলছেন ।

কুড়িগ্রাম জেলায় শহররক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে পড়ে নয়টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। সেখানকার একজন বাসিন্দা আব্দুল সবুর বলছিলেন “চুরানব্বই সালের পর এমন বন্যা আর দেখি নি, সব পানিতে ভাইসা গেছে”।

বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়। তবে কুড়িগ্রামের স্থানীয় মানুষ বলছেন ৯৮ সালে বন্যা হলেও তাদের জেলায় ১৯৯৪ সালের বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

স্থানীয় সাংবাদিক শফি খান জানাচ্ছিলেন কুড়িগ্রামের ছয় লক্ষ লোক এখন পানি বন্দী পড়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় দুইশ স্কুল বন্ধ করা হয়েছে।

এদিকে বন্যা কবলিত আরেক জেলা জামালপুর। জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১১৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যেটা ১৯৮৮ সালের বন্যায় ছিল ১২৫ সে.মি.। অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের পর এবছরই এমন বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি।

জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো.আলমগির বলছিলেন দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুরের অবস্থা বেশি খারাপ। তিনি বলছিলেন পানি বন্দী ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের কাজ চলছে।

তবে স্থানীয় সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান বলছিলেন এই সংখ্যা আড়াই লক্ষের কম নয়।

এছাড়া গাইবান্ধা,বগুড়া, সিরাজগঞ্জ,টাঙ্গাইল এবং নেত্রকোনাকে বন্যা কবলিত এলাকা বলে চিহ্নিত করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X